Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বারুইপুরের ঘটনায় ধৃত তিন অভিযুক্তকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা পুলিশের (Baruipur Case)। কীভাবে নৃশংসভাবে যৌন নির্যাতন করে খুন করা হয়েছিল নাবালিকাকে? আনন্দ সর্দারই মূল নির্যাতনকারী? অভিযুক্তদের বয়ানে একের পর এক চাঞ্চল্য তথ্য…

কীভাবে খুন নাবালিকাকে? (Baruipur Case)
বারুইপুরে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও নৃশংস খুনের ঘটনায় তদন্তে নেমে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য পাচ্ছে পুলিশ। মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের এনকাউন্টারের পর, এবার ধৃত বাকি তিন অভিযুক্তকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা তদন্তকারী আধিকারিকদের। পুলিশ সূত্রে খবর, জেরায় উঠে এসেছে সেই কালরাতের ভয়ঙ্কর নির্যাতন ও নৃশংসতার বিবরণ। কীভাবে নাবালিকাকে নির্মমভাবে শেষ করে দেওয়া হল, তা ভেবে শিউরে উঠছেন দুঁদে অফিসাররাও।
তদন্তে ৪ জনের যোগসূত্র
টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে চার অভিযুক্তের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছে পুলিশ, প্রভাস মণ্ডল (মূল অভিযুক্ত): পুলিশকে বারবার ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল, সম্প্রতি এনকাউন্টারে খতম, আনন্দ সর্দার (অন্যতম মূল অভিযুক্ত): নাবালিকার ওপর মূল নির্যাতনকারী, দিবাকর সর্দার ও কবীর মোল্লা: ঘটনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত বাকি দুই অভিযুক্ত।
আরও পড়ুন: Baruipur Case: বারুইপুরকাণ্ডে আরও ৮ গ্রেফতার! পুলিশের জালে এবার কারা?
বারুইপুর কাণ্ডে ধৃত আনন্দ সর্দার, দিবাকর সর্দার এবং কবীর মোল্লাকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে শুরু ম্যারাথন জেরা। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার রাতে চার অভিযুক্তই নাবালিকার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তাদের মোবাইল টাওয়ার লোকেশন খতিয়ে দেখে এই চারজনের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে। মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডল এনকাউন্টারে মারা গেলেও, মৃত্যুর আগে সে পুলিশকে বারবার ভুল তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছিল বলে পুলিশের দাবি। তবে বাকি তিনজনকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতেই এবার বেরিয়ে আসছে আসল সত্যি।
পুলিশ সূত্রে খবর, চারজনের কবল থেকে পালাতে চিৎকার শুরু করে কিশোরী। চিৎকার বন্ধ করতে নাবালিকার ঘাড়ে সজোরে আঘাত করে আনন্দ সর্দার। আনন্দর আঘাতেই জ্ঞান হারায় নাবালিকা। সংজ্ঞাহীন দেহকেই প্লাস্টিকের বস্তার ভেতর দুমড়ে-মুচড়ে ঢুকিয়ে দেয় অভিযুক্তরা।
আরও পড়ুন: আরও পড়ুন: Shapoor Zadran Death: আফগান ক্রিকেটে শোকের ছায়া, প্রয়াত প্রাক্তন পেসার শাপুর জাদরান
ইতিমধ্যেই ধৃত তিনজনকে দফায় দফায় জেরা করে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বারুইপুর জেলা পুলিশ। এই ঘটনায় আর কারা জড়িত ছিল, নাকি এই চারজনই গোটা ছক কষেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



