Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: টানা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল (East Bengal vs BSS)। কিন্তু সেই মিশনে শেষ পর্যন্ত ছেদ টানল বেহালা এসএস স্পোর্টিং ক্লাব। লিগ তালিকায় আটে থাকা দলটি শক্তিশালী ইস্টবেঙ্গলকে শুরু থেকেই সমানে টক্কর দেয়। বৃষ্টিবিঘ্নিত এই রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে শেষ মিনিট পর্যন্ত নাটকীয়তা বজায় ছিল। শেষ মুহূর্তের গোলে কোনোমতে হার বাঁচায় লাল-হলুদ। ম্যাচের অন্তিম ফলাফল ৩-৩ ড্র। তবে বিএসএস স্পোর্টিংয়ের লড়াকু ফুটবল এবং প্রতিরোধ সকলের প্রশংসা কুড়িয়েছে।

শুরুতেই ধাক্কা (East Bengal vs BSS)
ইস্টবেঙ্গল মাঠে ম্যাচ শুরুর শুরু থেকেই ছন্দে দেখা যায়নি লাল-হলুদ শিবিরকে। জেসিন টিকে এবং পিভি বিষ্ণুর মতো গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়দের ছাড়াই তন্ময় দাসের নেতৃত্বে মাঠে নামে দল। আর এই সুযোগটাই প্রথম থেকে কাজে লাগিয়ে লাল-হলুদকে চাপে ফেলে দেয় বেহালা এসএস। ম্যাচের মাত্র পাঁচ মিনিটের মাথাতেই ডান প্রান্ত থেকে ভেসে আসা অনবদ্য সেন্টার কাজে লাগিয়ে ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণকে স্তম্ভিত করে গোল করেন শ্লোক তিওয়ারি। গোল করার ওই মুহূর্তে রক্ষণভাগের ফুটবলার মনতোষ চাকলাদার ও চাকু মাণ্ডির মধ্যে বোঝাপড়ার স্পষ্ট অভাব ধরা পড়ে, যার পূর্ণ সদ্ব্যবহার করে দ্রুত এগিয়ে যায় বেহালা।

লাল হলুদের মরিয়া চেষ্টা (East Bengal vs BSS)
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ৪৭ মিনিটে সুখরাম সর্দারের দুর্দান্ত গোলে ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় বেহালা। এর তিন মিনিট পরেই হ্যান্ডশেকিং দূরত্ব থেকে সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন শ্লোক, যা গোল হলে হ্যাটট্রিক হয়ে যেত। এরপর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ইস্টবেঙ্গল। ৫৩ মিনিটে মনতোষ মাঝির জোরালো শট এবং ৫৬ মিনিটে আকাশের হেড অসাধারণ দক্ষতায় রুখে দেন বেহালার গোলরক্ষক অভিজিৎ কর। তবে ৬২ মিনিটে সুযোগসন্ধানী মহম্মদ বেলাল বাঁ পায়ের আলতো টোকায় বল জালে জড়িয়ে ব্যবধান কমিয়ে লাল-হলুদকে ম্যাচে ফেরান।

আরও পড়ুন: MSC Wasim Akram: প্রয়োজনে আমার ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট দেখিয়ে দেব: ওয়াসিম আক্রম
পয়েন্ট ভাগাভাগি (East Bengal vs BSS)
ম্যাচে পিছিয়ে পড়ার পর একের পর আক্রমণ শানিয়েও সমতায় ফিরতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছিল মশাল ব্রিগেডকে (East Bengal vs BSS)। ইস্টবেঙ্গলের জয়ের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বেহালার গোলরক্ষক অভিজিৎ কর। একের পর দুর্দান্ত সেভ করে দলকে রক্ষা করলেও, ম্যাচের একদম অন্তিম মুহূর্তে ৯১ মিনিটে আর রক্ষা করতে পারেননি তিনি। মনতোষ মাঝির জোরালো গোলে শেষ পর্যন্ত সমতায় ফেরে লাল-হলুদ। শেষ পর্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচের ফলাফল ৩-৩ থাকে এবং এক পয়েন্ট করে নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয় দুই দলকে।



