Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ত্রয়ণ চক্রবর্তী:মসজিদে আজানের মাইক বা মন্দিরের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মাইক উভয় ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত শব্দে সাধারণ মানুষের অসুবিধা হতে পারে বলে মন্তব্য করেন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী (Adhir Ranjan Chowdhury)। তবে তাঁর মতে, এই সমস্যা শুধুমাত্র মসজিদকে কেন্দ্র করে দেখলে ভুল বার্তা যাবে এবং সমাজে অযথা বিভাজনের পরিবেশ তৈরি হতে পারে।
শব্দদূষণ রোধে সবার জন্য একই নীতি (Adhir Ranjan Chowdhury)
অধীর রঞ্জন বলেন, তিনি নিজেও এমন জায়গায় থাকেন যেখানে মন্দিরের মাইকের শব্দে ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনা এবং সাধারণ মানুষের ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। তিনি জানান, নিজের ঠাকুরবাড়িতেও সন্ধ্যার পর বাইরের মাইক বন্ধ রাখার ব্যবস্থা করেন যাতে আশপাশের মানুষের অসুবিধা না হয়। তাঁর বক্তব্য, মসজিদ হোক বা মন্দির— মানুষের অসুবিধার কারণ হলে শব্দের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।
টার্গেটেড পদক্ষেপ নয়, আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত (Adhir Ranjan Chowdhury)
তিনি দাবি করেন, কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে মাইক খুলতে বা শব্দ কমাতে বাধ্য করা হলে তা ‘টার্গেটেড’ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হতে পারে। তাই প্রশাসনের উচিত সংশ্লিষ্ট মসজিদ কমিটি, মন্দির কর্তৃপক্ষ এবং দুই সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করা।
আরও পড়ুন: Bikash Ranjan Bhattacharya: আইন নয়, নির্দেশেই চলছে পুলিশ! সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন বিকাশের
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান
মহরমের শোভাযাত্রা ও ধর্মীয় উৎসব প্রসঙ্গে অধীর রঞ্জন বলেন, বহু বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গে হিন্দু ও মুসলমান একে অপরের উৎসবে অংশগ্রহণ করে আসছেন। তাঁর অভিযোগ, সাম্প্রতিক কিছু ঘটনায় অপ্রয়োজনীয় উত্তেজনা সৃষ্টি করা হচ্ছে, যা সামাজিক সম্প্রীতির পক্ষে ক্ষতিকর। তিনি মনে করেন, সংবিধান সব ধর্মের মানুষের সমানভাবে ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালনের অধিকার দিয়েছে এবং সেই অধিকার রক্ষা করা সকলের দায়িত্ব।



