Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বছরের পর বছর ধরে ভারত বিশ্বের অন্যতম প্রধান অস্ত্র আমদানিকারক দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সেই চিত্রে বড় পরিবর্তন এসেছে। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিশ্ববাজারে রফতানি করে ভারত এখন অন্যতম প্রধান সামরিক সরঞ্জামের জোগানদার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে(Kal Drone)।
রেকর্ড প্রতিরক্ষা রফতানি (Kal Drone)
২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানি রেকর্ড ৩৮,৪২৪ কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা পূর্ববর্তী অর্থবর্ষের তুলনায় প্রায় ৬২.৬৬ শতাংশ বেশি। পাবলিক সেক্টর ইউনিট (DPSU) এবং বেসরকারি সংস্থাগুলির যৌথ অবদানে ভারত বর্তমানে ৮০টিরও বেশি দেশে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম রফতানি করছে। ভারত সরকারের লক্ষ্য ২০২৯-৩০ সালের মধ্যে এই রপ্তানি ৫০,০০০ কোটি টাকায় নিয়ে যাওয়া।

নতুন বিশ্বমঞ্চে ‘কাল’ ড্রোন
ব্রহ্মোস মিসাইলের পর ভারতের প্রতিরক্ষা রফতানির পরবর্তী বড় চালিকাশক্তি হতে চলেছে ‘কাল’ ড্রোন। ওড়িশাভিত্তিক প্রতিরক্ষা স্টার্টআপ IG Defence-এর তৈরি এই শাহেদ-শ্রেণির ড্রোনটি গভীর অনুপ্রবেশী মিশনের জন্য অত্যন্ত কার্যকর।
কার্যকারিতা: এটি ১,০০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এবং আকাশে ৭-৮ ঘণ্টা অবস্থান করতে সক্ষম।
গতি ও পেলোড: ৫০ কেজি পর্যন্ত পেলোড বহন করে এটি সর্বোচ্চ ২০০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে উড়তে পারে।
বিশেষত্ব: এটি একটি ‘লয়টারিং মিউনিশন’ (Loitering Munition), যা শত্রুর রাডার, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ও স্পর্শকাতর অবকাঠামোর ওপর সুনির্দিষ্ট হামলা চালাতে পারে।
উপসাগরীয় (Gulf) একাধিক দেশ ইতিমধ্যেই এই ড্রোনটি কেনার জন্য চূড়ান্ত পর্যায়ের আলোচনা চালাচ্ছে।

রফতানি তারকা ‘ব্রহ্মোস’ (Kal Drone)
ভারতের প্রতিরক্ষা সাফল্যের মূল ভিত্তি হল ‘ব্রহ্মোস’ সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল। ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের পর এখন সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, গ্রিস ও চিলির মতো দেশগুলোও এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
ব্রহ্মোস, পিনাকা রকেট লঞ্চার, আকাশ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের পর ‘কাল’-এর মতো অত্যাধুনিক ড্রোন বিশ্ববাজারে ভারতের সামরিক প্রযুক্তিকে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিচ্ছে(Kal Drone)।



