Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: থাইল্যান্ডের ব্যাংকক সংলগ্ন নোন্থাবুরি প্রদেশের দেবসিরিন নোন্থাবুরি স্কুলে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক বন্দুক হামলা(Thailand School Attack)। ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর শিক্ষার্থী নিজ বাড়িতে দাদু ঠাকুমাকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এরপর সে সোজা স্কুলে গিয়ে শিক্ষক ও সহপাঠীদের ওপর এলোপাথাড়ি গুলি বর্ষণ শুরু করে।
বন্দুক হামলায় নিহত ৮ (Thailand School Attack)
ভয়াবহ ঘটনায় হামলাকারী কিশোরসহ অন্তত ৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং ২২ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। নিহতদের মধ্যে ৩ জন শিক্ষক এবং ৩ জন শিক্ষার্থী রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত কিশোর তার দাদার একটি আগ্নেয়াস্ত্র চুরি করে হামলাটি চালায়। সে অন্তত ২৬ রাউন্ড গুলি ছোড়ে এবং তার কাছে আরও ৩৪ রাউন্ড তাজা গুলি মজুদ ছিল। গুলির শব্দে পুরো স্কুলজুড়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় ৩,১০০ শিক্ষার্থীর এই স্কুলে জরুরি উদ্ধারকারী দল ও পুলিশ দ্রুত পৌঁছে পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে এবং শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের নিরাপদে সরিয়ে নেয়।
থাইল্যান্ডের শিক্ষামন্ত্রী প্রসেত চানতারারুয়াংথং এক বিবৃতিতে বলেন, “আমাদের প্রথম ও প্রধান অগ্রাধিকার হলো শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ক্ষতিগ্রস্ত সবাইকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সহায়তা দিতে সব সংস্থাকে অবিলম্বে যৌথ পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”(Thailand School Attack)
ঘটনার পর জনস্বাস্থ্য মন্ত্রক আহতদের জরুরি চিকিৎসা ও নিহতের স্বজনদের জন্য বেশ কয়েকটি মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ টিম মোতায়েন করেছে। হামলার মূল কারণ এখনও জানা যায়নি এবং পুলিশ বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে থাইল্যান্ডে সাধারণ মানুষের হাতে অস্ত্রের উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি, যেখানে আনুমানিক ১ কোটি আগ্নেয়াস্ত্র মানুষের কাছে রয়েছে(Thailand School Attack)। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেখানে একের পর এক বন্দুক হামলার ঘটনায় দেশের নিরাপত্তা ও অস্ত্র আইন নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।



