Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: হাইকোর্টে ধাক্কা কুণাল ঘোষের। বিধানসভা অধিবেশনের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় তাঁকে ‘পরিকল্পিত’ ভাবে এবং ‘ষড়যন্ত্র’ করে বলতে দেওয়া হচ্ছে না। সাংবিধানিক অধিকার থেকে তিনি বঞ্চিত হচ্ছেন। এই অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। মামলার কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই। তাঁর এই অসুবিধা এবং অভিযোগের কথা বিধানসভাতেই জানানোর নির্দেশ দিয়ে মামলা খারিজ করে দিলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও(Kunal HC)।
মামলা খারিজ কুণালের (Kunal HC)
বিধানসভা অধিবেশনের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় তাঁকে ‘পরিকল্পিত’ ভাবে এবং ‘ষড়যন্ত্র’ করে বলতে দেওয়া হচ্ছে না। সাংবিধানিক অধিকার থেকে তিনি বঞ্চিত হচ্ছেন। এই অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। শুক্রবার তাঁকে মামলা দায়েরের অনুমতি দিলেও বিকালে শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণা রাও তাঁর মামলা খারিজ করে দিলেন। বিচারপতি রাও জানিয়ে দিলেন, এই মামলার কোনও গ্রহণযোগ্যতা নেই। তাঁর এই অসুবিধা এবং অভিযোগের কথা বিধানসভাতেই জানানোর নির্দেশ দিলেন বিচারপতি রাও।
বিধানসভা নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় তাকে পরিকল্পনা এবং ষড়যন্ত্র করে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। এতে তার সাংবিধানিক অধিকার বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বেলেঘাটা তৃণমূল সাংসদ কুণাল ঘোষ। তিনি অভিযোগ করেন ‘ঋতব্রত তৃণমূল’ শিবিরের দিকে। ঋতব্রত তৃণমূলকে বিজেপির ‘বি’ টিম বলেও কটাক্ষ করেন তিনি। বিধানসভায় তাঁকে বলতে না দেওয়ার জন্য প্রতিবাদ করলে মার্শাল দিয়ে বার করে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেন কুণাল ঘোষ। বিধানসভা অধিবেশনে বিরোধী দলের (ঋতব্রত তৃণমূল) মুখ্যসচেতক আখরুজ্জামানকে বলতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল কুণালের বিরুদ্ধে। সেই জন্য অধিবেশন থেকে এক দিনের জন্য কুণালকে সাসপেন্ডও করেন স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু(Kunal HC)।
আরও পড়ুন: Kal Drone: অস্ত্র আমদানি থেকে রফতানি: ভারতে প্রতিরক্ষা বিপ্লবের নয়া মুখ ‘কাল’ ড্রোন
তাঁর বিরুদ্ধে হওয়া এই অন্যায়ের ন্যায়বিচার চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ‘কালীঘাট তৃণমূলের’ বিধায়ক কুণাল ঘোষ। কিন্তু কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও তাঁর এই আবেদনে কোনরকম হস্তক্ষেপে করলেন না(Kunal HC)। তাঁর এই অসুবিধা এবং অভিযোগের কথা বিধানসভাতেই জানাতে বলে মামলা খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট।
আদালত হস্তক্ষেপ না করলেও এদিন মামলা শেষে হাসিমুখে আদালত থেকে বেরোন কুণালের আইনজীবী বিশ্বরূপ ভট্টাচার্য ও অয়ন চক্রবর্তী। কারণ কুণালের কৌশলী উদ্দেশ্যসাধন হয়ে গেছে। এতদিন কুণালকে বলতে না দেওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছিলেন স্পিকার। তিনি না দুই মুখ্য সচেতক, নাকি পরিষদীয় মন্ত্রী, কার সঙ্গে এবিষয়ে কথা বলবেন কুণাল, তিনি ঘুরে মরছিলেন। এদিন কিন্তু কোর্টের নির্দেশে স্পষ্ট করা হয়েছে কুণাল তাঁর বক্তব্য স্পিকারকেই বলবেন। অর্থাৎ স্পিকারই আসল কর্তৃপক্ষ, তিনি এড়াতে পারবেন না। এটাই কুণালরা চাইছিলেন।



