Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: এক ‘গেছো’ মেয়ের লেখনীর ক্ষুরধারে (Mahasweta Devi) ইতিহাসের পাতার নায়করা যেন হয়ে উঠতেন বাস্তবের মহাপুরুষ। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখিকা তিনি। বাবা মনীশ ঘটক ও কাকা ঋত্বিক ঘটকের যোগ্য উত্তরসূরি। প্রান্তিক মানুষ, আদিবাসী সমাজ, নারী, শোষণ ও সামাজিক অবিচারকে তাঁর লেখার মূল বিষয়বস্তু করেছেন তিনি। তিনি মহাশ্বেতা দেবী।
ছোটবেলা (Mahasweta Devi)
ছোটবেলায় গাছে ওঠা, লাঠি খেলা, মাঠে দাপিয়ে বেড়িয়েছেন (Mahasweta Devi) তিনি। আবার অভাবের সংসারে সাবান বিক্রিও করেছেন। আবার তৎকালীন সময়ে নন্দীগ্রাম ও সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় বাম সরকারের অন্যতম প্রতিরোধের মুখ হয়ে উঠেছিলেন তিনি। শবরদের জন্য বরাবর প্রাণ কাঁদত মহাশ্বেতা দেবীর। তাই তিনি পরিচিত হয়েছিলেন, ‘শবর জননী’ হিসেবে।
উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি (Mahasweta Devi)
তার জনপ্রিয় লেখা নকশাল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এক মায়ের সংগ্রাম ও উপলব্ধির কাহিনি হাজার চুরাশির মা। আবার, আদিবাসী নেতা বিরসা মুন্ডার জীবন ও ব্রিটিশবিরোধী সংগ্রামের উপন্যাস অরণ্যের অধিকার। এছাড়া, রুদালি, ছোট্টি মুন্ডা এবং তার তীর, স্তন্যদায়িনী লেখিকার উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি।
আরও পড়ুন: Rama Rao Jr: গুরুতর আহত জুনিয়র এনটিআর, আপাতত সম্পূর্ণ বিশ্রামের নির্দেশ
মহাশ্বেতা দেবীর মৃত্যু
আজ, ২৮ জুলাই, বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সমাজকর্মী মহাশ্বেতা দেবীর প্রয়াণদিবস।
মহাশ্বেতা দেবী ২৮ জুলাই, ২০১৬ সালে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ৯০ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন। মৃত্যুর কয়েক দিন আগে তিনি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন এবং শেষ পর্যন্ত মাল্টি-অর্গান ফেলিয়র (একাধিক অঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়া)-এর কারণে তাঁর মৃত্যু হয়।


