Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আদালতের স্বস্তির মধ্যেই বিধানসভার অন্দরে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানাল তৃণমূল কংগ্রেস(Assembly Session)।
ঋতব্রতকে কটাক্ষ কুণালের (Assembly Session)
ঋতব্রতকে কটাক্ষ করার পাশাপাশি স্পিকারের সিদ্ধান্তকেও কার্যত চ্যালেঞ্জ করলেন কুণাল ঘোষ। তাঁর সাফ দাবি, ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রতর সঙ্গে নেই। এমনকি নারী নির্যাতন ইস্যুতে রাজ্যপালের ভাষণকে হাতিয়ার করে ঋতব্রতর গ্রেফতারির দাবিও তুলেছেন তিনি।
নয়া সরকারের সব উদ্যোগই রাজ্যপালের ভাষণে
‘ভয় আউট, ভরসা ইন’ ক্ষমতায় আসার আগেই স্লোগান তুলেছিল বিজেপি। ছাব্বিশের পালাবদলের পর বিধানসভার প্রথম অধিবেশন শুরু হল বৃহস্পতিবার। রীতি মেনে প্রারম্ভিক ভাষণ পাঠ করলেন রাজ্যপাল আরএন রবি। দুর্নীতিদমন থেকে অনুপ্রবেশকারী বিতাড়ন, বেআইনি দখল উচ্ছেদ থেকে নারী নিরাপত্তা, রাজ্য সরকারের গত দেড় মাসের প্রায় প্রতিটি উদ্যোগই রাজ্যপাল ছুঁয়ে গেলেন তাঁর ভাষণে। এবার রাজ্যপালের সেই ভাষণের প্রসঙ্গ তুলে ধরে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানালেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তাঁর স্পষ্ট দাবি, নারী নির্যাতন ইস্যুতে খোদ রাজ্যপাল আজ যা বলেছেন, তাতে সবার আগে গ্রেফতার হওয়া উচিত বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
এখানেই থামেননি কুণাল ঘোষ। বিধানসভার প্রথা ও আসন বিন্যাস নিয়ে স্পিকারকেও খোঁচা দিতে ছাড়েননি তিনি। কুণাল জানান, নিয়ম অনুযায়ী স্পিকারের দু’পাশে বসার কথা মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী দলনেতার। আজ মুখ্যমন্ত্রীর পাশে কিন্তু ঋতব্রত বসেননি, বসেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ই। স্পিকারের দয়ায় চেয়ার পাওয়া ঋতব্রতর থেকে হাউসে বলার জন্য কোনও সময় চাওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট করে দেন তিনি। কুণালের দাবি, ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ তৃণমূল বিধায়ক ঋতব্রতর পাশে নেই। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে দলের জন্য আলাদা ঘরের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে(Assembly Session)।
আরও পড়ুন: Smart Meter: স্মার্ট মিটার বাধ্যতামূলক করার প্রতিবাদ: আদালতে যেতে পারেন সরকারি কর্মচারীরা
পাশাপাশি, সম্প্রতি রাজ্যে চলা হকার উচ্ছেদ এবং বুলডোজার ইস্যু নিয়েও বলেন কুণাল ঘোষ। ঋতব্রতকে হকার ইস্যুতে নীরব দর্শক বলে কটাক্ষ করার পাশাপাশি হকারদের জন্য বড়সড় স্বস্তির বার্তাও দেন তিনি(Assembly Session)। কুণাল জানান, মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্য সরকার আর কোথাও বুলডোজার চালাবে না। রেলের জায়গার হকারদের উচ্ছেদ রুখতে রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা বলবে রাজ্য।



