Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরেই ‘তোলাবাজি’ ইস্যু রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে (Dum dum)। এক সময় এই অভিযোগের তীর ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। কিন্তু এখন অভিযোগ উঠছে, ক্ষমতার পালাবদলের পর একই সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি ঘটছে নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ে। দমদমের সাম্প্রতিক ঘটনা সেই প্রশ্নকেই আরও জোরালো করে তুলেছে।
কী ঘটেছিল? (Dum dum)
দমদমের পি. কে. গুহ রোডে এক প্রোমোটারকে তোলা না দেওয়ার অভিযোগে মারধরের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, প্রোমোটার অমরনাথ সিংয়ের অফিসে ঢুকে ভাঙচুর চালায় এবং বন্দুকের বাট দিয়ে তাঁর মাথায় আঘাত করা হয়। ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হন।
অভিযোগ অনুযায়ী (Dum dum)
গত প্রায় ১৫ দিন ধরে তাঁর কাছে তোলা দাবি করা হচ্ছিল। তিনি সেই দাবি মানতে অস্বীকার করায় সোমবার রাতে একদল দুষ্কৃতী অফিসে ঢুকে হামলা চালায়। অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা নিজেদের বিজেপির সঙ্গে যুক্ত বলে পরিচয় দিত।
থানায় অভিযোগ (Dum dum)
ঘটনার পর দমদম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন অমরনাথ সিং। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন দমদমের বিধায়ক অরিজিৎ বক্সী। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনায় যারা জড়িত, দল-মত নির্বিশেষে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে বলা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, এ ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি (Dum dum)
অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বিজেপির প্রচারিত ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’ স্লোগানের বাস্তব চিত্র এই ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, সরকার বদলালেও যদি তোলা, দখলদারি ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোর সংস্কৃতি চলতেই থাকে, তবে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে কীভাবে?
দলের নামে কতটা পরিবর্তন! (Dum dum)
সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, রাজ্যের মানুষ কি শুধুই দলের নামের পরিবর্তন দেখবে, নাকি প্রশাসনের চরিত্রেও পরিবর্তন দেখতে পাবে? যদি তোলাবাজির অভিযোগ এক রাজনৈতিক শিবির থেকে অন্য শিবিরে স্থানান্তরিত হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা, ব্যবসার স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের উপর আস্থা আরও দুর্বল হবে।
কাকে বিশ্বাস করবে!
গণতন্ত্রে সরকার পরিবর্তনের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। যদি অভিযোগ ওঠে যে পুরনো সমস্যাই নতুন রঙে ফিরে এসেছে, তাহলে সাধারণ মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খায়—”শেষ পর্যন্ত তারা কাকে বিশ্বাস করবে?”



