Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিধানসভার সই জাল-কাণ্ডের জের। দল বিরোধী কাজের অভিযোগে ২ বিধায়ককে বহিষ্কার করল তৃণমূল(Assembly Signature)। বহিষ্কৃত উলুবেড়িয়ার বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা।
২ তৃণমূল বিধায়কের অভিযোগেই তদন্ত (Assembly Signature)
সোমবার দুপুরে নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, সই জাল নিয়ে তৃণমূলের দুই বিধায়ক ঋতব্রত এবং সন্দীপনই লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন স্পিকারকে। তার ভিত্তিতেই বিধানসভার সচিবালয় হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ দায়ের করে। শুভেন্দু জানান, পুলিশমন্ত্রী হিসাবে তাঁর কাছে বিষয়টি আসার পরেই তিনি সিআইডি-কে তদন্তে যুক্ত করার নির্দেশ দেন।
অভিযোগ সামনে আসতেই বহিষ্কার
বিষয়টি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিক বৈঠকে আলোচনার পরই দুই বিধায়ককে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয় ঘাসফুল শিবির। দুজনকেই চিঠি দিয়ে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়েছে। এমনকি মেইলে ও হোয়াটসঅ্যাপেও জানানো হয়। বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকেও বহিষ্কারের কথা জানানো হয়েছে।
‘শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ’
শুভেন্দু অধিকারীকে অনেক ধন্যবাদ এই দুই বেইমানের নাম প্রকাশ্যে আনার জন্য। বিধানসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দেওয়া প্রসঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে কটাক্ষ করেন কুণাল ঘোষ।
ঋতব্রতের ক্ষেত্রে প্রথম নয় (Assembly Signature)
ঋতব্রতর ক্ষেত্রে এই ঘটনা প্রথম নয়। ২০১৪ সালে সিপিআইএমের রাজ্যসভার সাংসদ হন তিনি। ২০১৭ সালে তাঁকে বহিষ্কার করে দেয় সিপিআইএম। এরপর তিনবছর তিনি দলহীন সাংসদ হিসেবে রাজ্যসভা থাকেন তিনি।
আরও পড়ুন: Pahalgam Pak: পহেলগাম হামলায় পাক যোগ! ৯/১১ হামলায় যুক্ত ব্যাঙ্কের নাম এল তদন্তে
সইকাণ্ডের পিছনে (Assembly Signature)
শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা, নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও অসীমা পাত্রকে উপদলনেতা এবং ফিরহাদ হাকিমকে মুখ্যসচেতক করার সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিঠি যায় বিধানসভায়। চিঠি গৃহীত হয়নি। এরপর ১৯ মে ফের একটি বৈঠক হয় কালীঘাটে। অধিকাংশ বিধায়কের দাবি সেদিনের নয় ৬ মে-র বৈঠকের কার্যবিবরণীতে তাদের সই করানো হয়। এখানেই আসল সমস্যা সিআইডির হাতে যায় তদন্তভার। এবিষয়ে অনেককেই জিজ্ঞাসা করেছে সিআইডি।



