Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বারাসাত (Barasat Cow Missing) নেতাজি পল্লী এলাকায় জাতীয় সড়কে উত্তেজনা ছড়ায় গৃহপালিত পশু পাচারের অভিযোগ ঘিরে। দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল সম্পূর্ণ স্তব্ধ হয়ে যায়। এলাকাবাসীরা একটি মৃত গরুর দেহ জাতীয় সড়কের ওপর রেখে রাস্তা অবরোধ করেন। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকা থেকে একের পর এক গরু নিখোঁজ হচ্ছিল, আর শেষ পর্যন্ত হাতেনাতে ধরে ফেলা হয় অভিযুক্তদের।
গরু চুরি ও মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে সন্দেহ (Barasat Cow Missing)
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরেই এলাকায় গরু চুরি (Barasat Cow Missing) ও মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কয়েকজন বাসিন্দা নিখোঁজ গরুগুলির খোঁজে বের হন। খোঁজ করতে করতে তাঁরা বারাসাত কালীবাড়ি সংলগ্ন একটি মাঠে পৌঁছান। সেখানে কয়েকজন যুবক একটি গরুর মৃতদেহ একটি গাড়িতে তুলতে যাচ্ছিল বলে অভিযোগ। এলাকাবাসীদের দেখে গাড়ি নিয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও দু’জন যুবক ধরা পড়ে যায়।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত (Barasat Cow Missing)
ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হতেই পরিস্থিতি (Barasat Cow Missing) উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, ধৃতরা জানান অল্প টাকার বিনিময়ে তারা মৃত গরুটি নিয়ে যেতে এসেছিলেন। সেই সময় নিখোঁজ গরুর এক মালিক দাবি করেন, মৃত গরুটি তাঁরই এবং সেটি সন্তানসম্ভবা ছিল। এরপরই বিক্ষুব্ধ জনতা দু’জনকে মারধর শুরু করে।
পুলিশি গাড়ি ঘিরে ধরে বিক্ষোভ
খবর পেয়ে দত্তপুকুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ধৃতদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু পুলিশি গাড়ি ঘিরে ধরে বিক্ষোভ শুরু হয়। এলাকাবাসীদের দাবি, এটি একটি সংঘবদ্ধ চক্র, যারা গৃহপালিত পশুকে বিষ খাইয়ে মেরে পাচার করে। পুলিশের ওপর আস্থা হারানোর অভিযোগ তুলে ধৃতদের আবার পুলিশের গাড়ি থেকে নামিয়ে মারধর করা হয়।

আরও পড়ুন: TMC Protest: ইডি অভিযানের প্রতিবাদে রাস্তায় মমতা, যাদবপুর থেকে হাজরা পর্যন্ত তৃণমূলের মিছিল
এক ঘণ্টা পর অবরোধ ওঠে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে বারাসত এসডিপিও-র নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী আসে। পুলিশের আশ্বাসে প্রায় এক ঘণ্টা পর অবরোধ ওঠে। মৃত গরুর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পশু চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, আটক দুই যুবকের নাম নাজমুল হোসেন ও নিজামুদ্দিন। তারা বারাসাত কাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।


