Last Updated on [modified_date_only] by Ananya Dey
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল : আলিপুর চিড়িয়াখানা সংলগ্ন জমির বিক্রি নিয়ে আরও বাড়ল বিতর্ক। ‘রাজ্য সরকার কি আদৌ নিলামের মাধ্যমে এই ধরনের জমি বিক্রি করতে পারে?’ বুধবার মামলার শুনানিতে এমনই প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। ১ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি।
চিড়িয়াখানার জমি বেআইনিভাবে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ (Calcutta High Court)
আলিপুর চিড়িয়াখানার জমি বেআইনিভাবে রাজ্য বিক্রি করে দিতে চাইছে বলে আগেই অভিযোগ তুলেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তার প্রতিবাদে গত জানুয়ারি মাসেই রবীন্দ্র সদন থেকে চিড়িয়াখানা পর্যন্ত মিছিলও করেছিলেন তিনি (Calcutta High Court)। চিড়িয়াখানার জমি বেআইনিভাবে বেচে দেওয়ার অভিযোগ তুলে গত জুন মাসে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। মামলাকারীর আবেদন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে বেআইনিভাবে বেচে দেওয়া হচ্ছে চিড়িয়াখানার জমি। মামলা দায়েরের অনুমতি দিয়েছিলেন বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চ।
শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ (Calcutta High Court)
অভিযোগ, আলিপুর চিড়িয়াখানার অপর প্রান্তে চিড়িয়াখানার একটি অ্যাকোয়ারিয়াম, অডিটোরিয়াম, একটি পশু হাসপাতাল, নার্সারি এবং স্টাফ কোয়ার্টার রয়েছে (Calcutta High Court)। অডিটোরিয়াম ও স্টাফ কোয়ার্টারের অবস্থা বিপন্ন। ওই জমি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করতে দিয়েছে রাজ্য। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও অভিযোগ করেন, ওই ৫০ কাঠা জমি ১ হাজার কোটি টাকায় বিক্রি করার চেষ্টা করছে রাজ্য।
আরও পড়ুন : Weather Update: আর বেশিদিন নেই, ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, কী জানাল হাওয়া অফিস!
দুই সপ্তাহের মধ্যেই তদন্তের রিপোর্ট জমা
সূত্রের খবর, গত ২৩ মে ওই জমি বিক্রির জন্য টেন্ডারও ডাকা হয়। বুধবার বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি স্মিতা দাসের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানিতে মামলাকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রাথমিকভাবে নিলামের জন্য কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। পরে নিলামের জন্য আবারও নতুন করে নোটিশ জারি করা হয়। এ প্রসঙ্গে বুধবার শুনানিতে কেন্দ্রের অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল আদালতকে জানান, ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে সেন্ট্রাল জু অথরিটি। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই সেই তদন্ত রিপোর্ট জমা পড়বে।
আরও পড়ুন : Kalna: কচু পাতার উপর উদ্ধার সদ্যজাত সন্তান
১ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি
তারপরই বিচারপতি সুজয় পাল প্রশ্ন তোলেন, সরকার কি এই ধরনের জমি নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করতে পারে কিনা! তারপরই বিচারপতি সুজয় পাল সংশ্লিষ্টপক্ষকে অতিরিক্ত হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। আগামী ১ সেপ্টেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি। ওই জমির নিলাম আদৌ নিয়ম মেনে হয়েছে কিনা, পরবর্তী শুনানিতে তা খতিয়ে দেখবে আদালত।


