Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চুঁচুড়ার রাস্তায় বড়সড় ধস, চুঁচুড়া রাস্তায় এখন চাঁদের রাস্তায় হাঁটার সমান। কেএমডিএ পাইপলাইন বসানোর কাজ চলছে দীর্ঘদিন ধরে (Chinsurah)। বর্ষায় টানা বৃষ্টিতে নাজেহাল শহরবাসী। হুগলি চুঁচুড়া পৌরসভার প্রায় সমস্ত রাস্তায় থানাখন্দে ঘরে গিয়েছে, পথচারীরা জানাচ্ছেন চাঁদে হাঁটার মতো রাস্তা তৈরি হয়েছে চুঁচুড়া।

নাজেহাল নিত্যযাত্রীরা (Chinsurah)
নাজেহাল নিত্যযাত্রীরা থেকে শুরু করে স্থানীয় ব্যবসাদাররা। উপরি পাওনা আচমকা ধস,আচমকাই রাস্তায় ধস। এই ধস নামায় গৃহবন্দী বাসিন্দারা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে এলেন চুঁচুড়ার বিধায়ক সুবীর নাগ। কে এম ডি এর কাজের নিযুক্ত ঠিকাদারের ইঞ্জিনিয়ারকে ধমক বিধায়কের। দ্রুত কাজ শেষ না করলে ব্ল্যাকলিস্টেড করে দেওয়া হবে বলে হুশিয়ারি দেন বিধায়ক।
একাধিক রাস্তাঘাট বেহাল (Chinsurah)
পৌরসভার চুঁচুড়া পৌরসভার একাধিক রাস্তাঘাট বেহাল। পুরোভারই ১২ এবং ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বুক চিড়ে চলে গেছে পিপুল পাতি বকুলতলা রোড। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তায় দীর্ঘদিন ধরেই চলছে পাইপ লাইন বসানোর কাজ। ওই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাতেই রয়েছে মহকুমা শাসকের বাংলো, কলেজ,স্কুল থেকে শুরু করে অফিস। রাস্তার ধারে তৈরি হয়েছে একাধিক আবাসন।

বিপাকে স্থানীয় বাসিন্দারা (Chinsurah)
হঠাৎ করে ওই রাস্তায় বড়সড় ধরস নামায় পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বাসিন্দাদের অভিযোগ, তারা বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না, রাতে পাইপলাইনের কাজ চলায় প্রচন্ড শব্দে বাড়িঘর কেঁপে উঠছে। সেই আতঙ্কে রাতে ঘুমোতে পারছেন না। একাধিক অসুবিধার কথা ঠিকাদার সংস্থাকে জানালেও বাসিন্দাদের কোন কথাতেই গুরুত্ব দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।
উপদেশ দেয় উড়ে যান (Chinsurah)
অসুবিধা হওয়ায় সেই অসুবিধার কথা জানালে তাদের ঠিকা কর্মিরা তরফে উপদেশ দেয় উড়ে যান। এই কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে যান বিধায়ক। চুঁচুড়ার বিধায়ক সুবীর নাগ বলেন, এখানে বালি দিয়ে গর্ত বোজানোর কথা সেখানে মাটি দেওয়া হচ্ছে। যার ফলে ধস নামছে। ঠিকাদার সংস্থার ইঞ্জিনিয়ার কে জানানো হয়েছে। তাদের জন্য মানুষের কাছে আমরা কথা শুনতে পারব না।

আরও পড়ুন: Bikash Ranjan Bhattacharya: আইন নয়, নির্দেশেই চলছে পুলিশ! সরকারের বিরুদ্ধে প্রশ্ন বিকাশের
প্রশাসককে জানানো হয়েছে
পুরোসভার ইঞ্জিনিয়ার এবং প্রশাসককেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। মানুষের যাতে অসুবিধা না হয় তাই দ্রুত কাজ করতে বলা হয়েছে কেএমডিএকে। সংস্থার ইঞ্জিনিয়ার বলেন, এখানে মাটির সমস্যা রয়েছে। প্রথমে যে পরিকল্পনা করে কাজ শুরু হয়েছিল। পরে সেই পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে হয়। তাই একটু সময় লাগছে। তবে আমরা এই কাজ খুব তাড়াতাড়ি শেষ করে দেব।



