Last Updated on [modified_date_only] by Tania Rakshit
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আইএসএলে ডায়মন্ড হারবার এফসির অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল আগেই (DHFC Sport Minisrter)। এবার সেই আশঙ্কাই সত্যি হতে চলেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পার্টিসিপেশন ফি জমা দিতে না পারায় আইএসএল থেকে ক্লাবটি কার্যত বাদ পড়ার মুখে রয়েছে। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, আগামী মরসুমে ১৩টি ক্লাবকে নিয়েই আইএসএল আয়োজিত হবে। এই বিষয়ে নাম না করেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেছেন ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ।
ফেডারেশনের ঘোষণা (DHFC Sport Minisrter)
বুধবার দুপুরের মধ্যে আইএসএলে অংশগ্রহণের ফি জমা দেওয়ার শেষ সময়সীমা নির্ধারিত ছিল। কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্লাব ডায়মন্ড হারবার এফসি সেই নির্দিষ্ট অর্থের প্রথম কিস্তির ৫৫ লক্ষ টাকা জমা দিতে ব্যর্থ হয়। এরপরই বুধবার রাতে ফেডারেশনের তরফে বিবৃতি জারি করে নিশ্চিত করা হয় যে, এআইএফএফ ও ক্লাব জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৬-২৭ মরশুমে ১৩টি দল নিয়েই প্রতিযোগিতাটি অনুষ্ঠিত হবে।
রাজনৈতিক পরিবর্তন (DHFC Sport Minisrter)
মাত্র কয়েক বছর আগে আত্মপ্রকাশ করে উল্কার গতিতে রাজ্য ফুটবলে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করেছিল ডায়মন্ড হারবার এফসি এবং চার বছরের মধ্যেই দেশের সেরা লিগে জায়গা করে নিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকেই ক্লাবটির ভাগ্যের চাকা সম্পূর্ণ ঘুরে যায়। পর্যাপ্ত তহবিলের অভাবে এই মুহূর্তে ক্লাবটির নিয়মিত কার্যকলাপ কার্যত বন্ধ রয়েছে এবং অর্থনৈতিক সংকটের কারণেই তারা আইএসএলের প্রাথমিক আর্থিক শর্ত পূরণ করতে পারেনি।
আরও পড়ুন: East Bengal Durand: গিলের হাত ধরে ডুরান্ডের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল
গুরুতর অভিযোগ (DHFC Sport Minisrter)
অর্থসংকটের পাশাপাশি ক্লাবটির বিরুদ্ধে (DHFC Sport Minisrter) একাধিক গুরুতর অভিযোগও দানা বেঁধেছে। ডায়মন্ড হারবার এফসির বিরুদ্ধে তহবিল সংগ্রহ এবং ম্যাচ ফিক্সিংয়ের মতো গুরুতর অভিযোগ জমা পড়েছে। রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ দায়িত্ব নেওয়ার পরেই এই বিষয়ে সরব হন এবং সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন। ক্লাব উঠে যাওয়ার পরিস্থিতি নিয়ে ক্রীড়ামন্ত্রী নাম না করেই কটাক্ষ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধায়কে।
তিনি বলেন, “বিভিন্ন জায়গায় দুনীর্তির টাকা ব্যবহার করেছেন। এর যা করেছেন তার হিসেব হচ্ছে। আমাদের যেখানেই টাকা খরচ করা হয়, তার হিসেব রয়েছে। সাদা টাকার হিসেব থাকে। কোনও কোনও ব্যক্তির কাছে সাদা টাকা কিছু নেই সবটাই কালো টাকা। তাই সাদা টাকা যখন দিতে হবে তখন তিনি পারছে না। খেলার মধ্যে নীতি বোধ থাকা খুব দরকার। ছেলেরা দেখিয়েছে কত অনৈতিক কাজ করেছেন ডায়মন্ডের কর্তারা। আমাদের সিএফএলে অনেক দল আছে পাশাপাশি ইস্টবেঙ্গল এবং মোহনবাগান আছে। সেখানেই খেলুক এখন ছেলেরা। চিন্তা করতে হবে না তাদের, আমাদের সরকার খেলোয়ারদের পাশে আছে ও থাকবে।”



