Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা বিধানসভা কেন্দ্র ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল (Election Controversy)। বিজেপির নির্বাচনী কার্যালয়ের ঠিক উল্টোদিকে একটি জেরক্সের দোকান থেকে ‘মাতৃ শক্তি ভরসা কার্ড’ নামে একটি ফর্ম বিলির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই ফর্মের মাধ্যমে মহিলাদের প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ, যা নির্বাচনকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

তৃণমূলের অভিযোগ (Election Controversy)
তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ মমতা ঠাকুরের দাবি, বিজেপি প্রার্থী সোমা ঠাকুরের নির্বাচনী কার্যালয়ের উল্টোদিকের জেরক্সের দোকান থেকেই এই ফর্ম বিলি হচ্ছিল। তার অভিযোগ অনুযায়ী, ফর্মে প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি উল্লেখ ছিল, সেই সঙ্গে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার ইঙ্গিতও নাকি ফর্মে ছিল, এটি নির্বাচনের আগে ভোটারদের প্রভাবিত করার একটি বেআইনি প্রচেষ্টা, তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, এভাবে কি কোনো বৈধ ফর্ম পূরণ করা যায়? বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছে এবং যথাযথ তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করা হয়েছে।
“পুরোপুরি ভিত্তিহীন” (Election Controversy)
অন্যদিকে, বিজেপির বনগাঁ জেলা সাধারণ সম্পাদক মলয় মণ্ডল তৃণমূলের এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তার বক্তব্য, কোনো জেরক্সের দোকান থেকে কী ফর্ম বিলি হচ্ছে, তা বিজেপির জানার কথা নয়, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, তৃণমূল কংগ্রেস ভোটের আগে অযথা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে
তদন্তে নেমেছে প্রশাসন (Election Controversy)
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে বাগদা থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই জেরক্সের দোকানের মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, ফর্মগুলি কোথা থেকে এল, কার নির্দেশে বা কার উদ্যোগে বিলি করা হচ্ছিল, এর সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দলের সরাসরি যোগ আছে কি না, এসব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: Badminton Ayush Shetty: রূপোয় থামতে হল আয়ুষকে!
নির্বাচন কমিশনের নজরদারি
নির্বাচনের সময় এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি এখন এই ঘটনার উপর। যদি প্রমাণিত হয় যে ভোটারদের প্রভাবিত করতে আর্থিক প্রলোভন দেখানো হয়েছে, তবে তা নির্বাচনী আচরণবিধির গুরুতর লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।



