Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স অব্যাহত রাখল নরওয়ে। রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে সেনেগালকে ৩-২ গোলে হারিয়ে রাউন্ড অফ ৩২-এ জায়গা নিশ্চিত করল স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দলটি (Erling Haaland)।
নর্দান লাইটস ও মধ্যরাতের সূর্য (Erling Haaland)
শীতকালে নরওয়ের উত্তরাঞ্চলে আকাশজুড়ে মেরুজ্যোতি বা নর্দান লাইটস দেখার দারুণ সুযোগ থাকে অন্যদিকে, গ্রীষ্মকালে উত্তর গ্রীষ্মকালে উত্তর মেরুর কাছাকাছি অঞ্চলে টানা কয়েক সপ্তাহ সূর্যাস্ত হয় আর সেটাই পরিচিত মিডনাইট সান নামে। তবে ভারতে যখন রাত্রি সেই সময় বিশ্বকাপের আকাশের সূর্য হালান্ড (Erling Haaland)।
ম্যাচ জয়ের পর নিউ ইয়র্কে নিজেদের সমর্থকদের সঙ্গে বিখ্যাত উদযাপনে মাতলেন হালান্ডরা। আর এই উদযাপন ‘ভাইকিং রো’ নামে পরিচিত। এই দেশের ভাইকিং ইতিহাস বহু পুরনো। সারা বিশ্বের মানুষের কাছে ভাইকিং শব্দটি সাহস, বীরত্ব ও পরাক্রমের সমার্থক। আবার এদের নামের দেব দেবীর নামে সপ্তাহের দিনের নামকরণ হয়েছে বলে অনেকে দাবি করেন। সে যাই হোক এবার যে বিশ্বকাপ জুড়ে এদের দাপট দেখা যাবে সেটা স্পষ্ট আর ভাইকিং স্টার হালান্ড বিশ্বকাপের অন্যতম তারকা। বিশ্বকাপের সঙ্গে একই ভাবে উচ্চারণ হবে তাঁর নাম।
ম্যাচ জয়ের পর নিউ ইয়র্কে নিজেদের সমর্থকদের সঙ্গে বিখ্যাত ‘ভাইকিং রো’ উদযাপনে মাতলেন আর্লিং হালান্ডরা। ম্যাচ শেষে নরওয়ের ফুটবলাররা মাঠে বসে সারিবদ্ধভাবে সেই ঐতিহ্যবাহী উদযাপন করেন। ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট বজায় রেখেছিল নরওয়ে। ৪৩ মিনিটে বিপক্ষের ভুলকে কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যায় নরওয়ে। কুলিবালির ভুল ক্লিয়ারেন্স থেকে বল পেয়ে মার্কাস পেডারসেন জোরালো শটে গোল করে দলকে শুরুতেই এগিয়ে দেন। এরপর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ থাকলেও সেনেগালের গোলরক্ষক দুরন্ত সেভ করে দলের দুর্গ বাঁচান।

প্রথম অর্ধ না হলেও দ্বিতীয় অর্ধ নিজের নামে রেজিস্টার করে রাখেন দলের গোলমেশিন আর্লিং হালান্ড। ৪৮ মিনিটে মার্টিন ওডেগার্ডের নিখুঁত থ্রু বল পেয়ে কোনও ভুল করেননি এই তারকা। জোরালো শটে ব্লকে জালে জড়িয়ে দেন এবং ব্যবধান বাড়িয়ে নেন।
তবে বিপক্ষে ওই যে সেই হালান্ড। বিপক্ষের থেকে গোল খাওয়ার পাঁচ মিনিটের মধ্যে আবার গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে নেয় নরওয়ে। প্যাট্রিক বার্গের ক্রস থেকে প্রথম টাচেই ভলিতে গোল করেন হালান্ড। এই জোড়া গোলের পর বিশ্বকাপে মাত্র দুই ম্যাচে তাঁর গোল সংখ্যা ৪। অন্যদিকে দুই ম্যাচে মেসির গোল সংখ্যা পাঁচ এবং এমবাপের ৪।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে ইসমাইল সার নিজের দ্বিতীয় গোল করে সেনেগালকে ফের লড়াইয়ে ফেরানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঠান্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামলে জয় নিশ্চিত করে নরওয়ে। ৩-২ গোলে ম্যাচ জিতে দুই পয়েন্ট নিয়ে রাউন্ড অফ ৩২-এ পৌঁছে গেল নরওয়ে। তবে র্পোরের ম্যাচে তাঁদের মুখোমুখি হতে হবে ফ্রান্সের। দুই দলের কাছে এই ম্যাচ শীর্ষস্থান দখলের লড়াই। যেখানে টানটান ম্যাচ দেখতে পাওয়ার আশা করছে বিশ্ব ফুটবল (Erling Haaland)।


