Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: জাহাঙ্গীর বাদশা, হলদিয়া: পূর্ব মেদিনীপুর জেলার (Haldia News) হলদিয়ায় শুক্রবার রাজনৈতিক উত্তেজনা চরমে ওঠে হলদিয়া পুরসভাকে কেন্দ্র করে। প্রাক্তন হলদিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান শ্যামল আদকের পুরসভায় আগমনকে ঘিরে সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পুরসভা চত্বর। বিজেপি নেতা-কর্মীদের একাংশ শ্যামল আদকের বিরোধিতায় পুরসভার সামনে জমায়েত করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।
‘গো ব্যাক’ পোস্টার (Haldia News)
সূত্রের খবর, শ্যামল আদক পুরসভায় (Haldia News) আসতে পারেন এমন খবর আগেই ছড়িয়ে পড়েছিল রাজনৈতিক মহলে। এরপর সকাল থেকেই পুরসভার আশপাশ এলাকায় “গো ব্যাক শ্যামল আদক” লেখা পোস্টার পড়তে দেখা যায়। পুরসভার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। তাঁদের হাতে ছিল বিভিন্ন প্রতিবাদী পোস্টার ও ব্যানার। শ্যামল আদকের বিরুদ্ধে স্লোগান তুলতে থাকেন বিক্ষোভকারীরা।
ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি (Haldia News)
এদিকে, শ্যামল আদক পুরসভা এলাকায় পৌঁছাতেই (Haldia News) পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, বিজেপি কর্মীদের একাংশ তাঁর গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন এবং জোরালোভাবে “গো ব্যাক” স্লোগান দিতে থাকেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুরসভা চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
পুলিশ বাহিনীর লাঠি চার্জ
পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সেই কারণে আগে থেকেই এলাকায় মোতায়েন ছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরে বিক্ষোভ ক্রমশ তীব্র আকার নিলে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে। বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দিতে প্রথমে পুলিশ অনুরোধ জানালেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত লাঠিচার্জ করা হয় বলে অভিযোগ। পুলিশের তৎপরতায় পুরসভার সামনে থেকে বিজেপি কর্মীদের জমায়েত সরিয়ে দেওয়া হয়।
শাসক দলের অভিযোগ
ঘটনার জেরে কিছু সময়ের জন্য হলদিয়া পুরসভা চত্বর কার্যত থমথমে হয়ে ওঠে। এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। যদিও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির দাবি, গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমন করতেই পুলিশ বলপ্রয়োগ করেছে। অন্যদিকে শাসকদলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, পরিকল্পিতভাবে অশান্ত পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করা হয়েছিল।
আরও পড়ুন: BJP Worker Attack: বিজেপি কর্মী ও তাঁর স্ত্রীকে মারধরের অভিযোগ, রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে মালদায়
হলদিয়ার এই ঘটনাকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আগামী দিনে এই বিতর্ক কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।


