Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পথকুকুরদের খাওয়াতে গিয়ে প্রায়ই নানা সমস্যার মুখে পড়তে হয় পশুপ্রেমীদের (Howrah Municipality)। কখনও স্থানীয় বাসিন্দাদের আপত্তি, কখনও আবার খাবার দেওয়ার নির্দিষ্ট জায়গা না থাকায় তৈরি হয় বিবাদ। এবার সেই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে উদ্যোগী হল হাওড়া পুরসভা। পথকুকুরদের জন্য নির্দিষ্ট খাবারের জায়গা বা ‘ডগ ফিডিং জোন’ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, আগামী দিনে পথপ্রাণীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল থেকে শুরু করে শেষকৃত্যের জন্য শ্মশান তৈরিরও পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্য সরকারের।
পথকুকুরদের খাবারের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা (Howrah Municipality)
বুধবার হাওড়া পুরসভা চত্বরে পথকুকুরদের জন্য বিশেষ খাবার প্রদানের জায়গার উদ্বোধন করেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। এই উদ্যোগের মাধ্যমে পথকুকুরদের নিয়মিত খাবার দেওয়ার পাশাপাশি পশুপ্রেমীদের দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছে পুরসভা। মন্ত্রী জানান, হাওড়া পুরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডেই পর্যায়ক্রমে ‘ডগ ফিডিং জোন’ তৈরি করা হবে। এর ফলে নির্দিষ্ট জায়গায় পথকুকুরদের খাবার দেওয়া সম্ভব হবে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পশুপ্রেমীদের অপ্রয়োজনীয় বিবাদও কমবে(Howrah Municipality)।
ডগ ফিডারদের পরিচয়পত্র, মিলবে বিশেষ কিট (Howrah Municipality)
পুরসভার উদ্যোগে শুধু খাবারের জায়গা তৈরি করাই নয়, পথকুকুরদের যাঁরা নিয়মিত খাবার দেন, তাঁদেরও বিশেষ স্বীকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ডগ ফিডারদের জন্য পরিচয়পত্র ও রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করা হবে। বুধবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খাবার প্রদানকারী কয়েকজনের হাতে ‘ডগ ফিডিং কিট’ তুলে দেন মন্ত্রী। পাশাপাশি পশুপ্রেমীদের সংবর্ধনা জানানো হয়। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে তাঁদের পরিচয়পত্র দেওয়ারও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, আপাতত হাওড়া পুরসভার পাঁচটি ওয়ার্ডে মোট ১৪টি ডগ ফিডিং কেন্দ্র চালু করা হচ্ছে। পরবর্তী সময়ে এই উদ্যোগ গোটা শহরে ছড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
আরও পড়ুন: Kolkata Development: লন্ডনের অক্সফোর্ড স্ট্রিটের আদলে সাজবে কলেজ স্ট্রিট, বদলাবে বইপাড়া
পথপ্রাণীদের জন্য হাসপাতাল থেকে শ্মশান
হাওড়া শহরে পথকুকুরের সংখ্যা যথেষ্ট। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তাদের নিয়মিত খাবার ও চিকিৎসার ব্যবস্থা থাকে না। কিছু পশুপ্রেমী নিজেদের উদ্যোগে খাবারের ব্যবস্থা করলেও স্থানীয় বাসিন্দাদের আপত্তিতে অনেক সময় সেই কাজ বাধাপ্রাপ্ত হয়। নির্দিষ্ট ফিডিং জোন তৈরি হলে এই সমস্যা অনেকটাই মিটবে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি শুধু পথকুকুর নয়, পাখিদের জন্যও বিভিন্ন জায়গায় খাবার ও পানীয় জলের হাঁড়ি রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আগামী দিনে পথপ্রাণীদের জন্য হাসপাতাল এবং শ্মশান তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।



