Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারত ও পাকিস্তানের ১১৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক যৌথভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের কাছে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আহ্বান জানিয়ে খোলা চিঠি দেওয়ায় নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে(Indo Pak)।
যৌথ চিঠিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া (Indo Pak)
চিঠিতে দুই সরকারকে শান্তি প্রতিষ্ঠা, বৈরিতা কমানো এবং দ্বিপাক্ষিক আলোচনা পুনরায় শুরু করতে “সুনির্দিষ্ট ও ধারাবাহিক উদ্যোগ” নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে। তবে এই উদ্যোগকে ঘিরে মতভেদ স্পষ্ট। একাংশের মতে, জনগণের স্তরে আলোচনা সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য জরুরি। অন্যদিকে সমালোচকদের দাবি, সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ বন্ধ না হলে এমন আহ্বানের কোনও বাস্তব অর্থ নেই।
অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ধ্রুব কাটোচ বলেন, চিঠির স্বাক্ষরকারীরা কোনও সরকারের প্রতিনিধি নন এবং অতীতেও এ ধরনের উদ্যোগের ফল মেলেনি। তাঁর মতে, পাকিস্তান যদি সন্ত্রাসবাদের প্রতি অবস্থান না বদলায়, তবে এমন চিঠি ভারত সরকার গুরুত্ব দেবে না।
কংগ্রেস নেতা মনীশ তিওয়ারিও প্রশ্ন তোলেন। পহেলগাঁওয়ের বৈশরণে হামলার প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানতে চান, এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চাপ কেন তৈরি হচ্ছে। ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক সুশান্ত সারিনও চিঠির সমালোচনা করে বলেন, এতে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদের মূল বিষয়টি উপেক্ষিত হয়েছে। বিজেপি নেতা রবীন্দর রায়না বলেন, শান্তির আবেদন পাকিস্তানের প্রতিই বেশি হওয়া উচিত, কারণ সমস্যার উৎস ইসলামাবাদ।
অন্যদিকে, আরজেডি সাংসদ মনোজ ঝা এই উদ্যোগকে সমর্থন করেছেন। তাঁর মতে, দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়লে দীর্ঘমেয়াদে সম্পর্কের উন্নতি সম্ভব। তিনি বলেন, সরকারগুলির সামনে এমন প্রস্তাব তুলে ধরা ইতিবাচক পদক্ষেপ।
চিঠিতে ভারতের পক্ষ থেকে ফারুক আবদুল্লা, মিরওয়াইজ উমর ফারুক, মেহবুবা মুফতি, মনোজ ঝা, মণিশঙ্কর আইয়ার ও জওহর সরকারসহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি স্বাক্ষর করেছেন। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী খুরশিদ মাহমুদ কাসুরি, কূটনীতিক আশরাফ জাহাঙ্গীর কাজি, সাংসদ ইসফানিয়ার ভান্ডারা এবং পরমাণু বিজ্ঞানী পারভেজ হুদভয় স্বাক্ষর করেন(Indo Pak)।
আরও পড়ুন: Mahua Egg: উপরে বৈঠক, নিচে দাঁড়িয়ে মানুষ: ডিম ছোঁড়ার ‘লাইভ’ দেখালেন মহুয়া
তবে ভারত সরকার আগেই স্পষ্ট করেছে, “সন্ত্রাস ও আলোচনা একসঙ্গে চলতে পারে না”(Indo Pak)। নয়াদিল্লির অবস্থান অনুযায়ী, পাকিস্তান সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ রোধে বিশ্বাসযোগ্য পদক্ষেপ নিলেই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের পথ খুলতে পারে।



