Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল : দেশ স্বাধীন হয়েছে ৭৯ বছর আগে। শহর থেকে গ্রাম উন্নয়নের ছোঁয়ায় বদলেছে বাংলার বহু এলাকা (Ketugram)। কিন্তু পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রাম ২ ব্লকের সীতাহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্ধারণপুর বিধানপল্লীর ছবি যেন সেই পুরনো বাস্তবতাতেই আটকে। আজও গ্রামের প্রধান রাস্তা মাটির, আর নদী পারাপারে ভরসা একটি অস্থায়ী সেতু।

বর্ষা এলেই মাটির রাস্তা হয়ে ওঠে দুর্ভোগ (Ketugram)
গ্রামে ঢোকার প্রধান রাস্তাটি এখনও পাকা হয়নি। বর্ষা নামলেই কোথাও হাঁটুসম কাদা, কোথাও জল জমে চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে। গাড়ি চলাচল তো দূরের কথা, হেঁটে যাওয়াও হয়ে ওঠে বিপজ্জনক। বাধ্য হয়ে অনেক সময় মাঠের আলপথ ব্যবহার করতে হয় বাসিন্দাদের।
স্কুল পড়ুয়াদের প্রতিদিনের লড়াই (Ketugram)
এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ে স্কুল পড়ুয়ারা। প্রতিদিন কাদা-মাটি পেরিয়ে স্কুলে যেতে হয় তাঁদের। বর্ষার দিনে ছোটদের পাশাপাশি বয়স্কদেরও গ্রাম থেকে বেরোনো কার্যত যুদ্ধের সমান। জরুরি প্রয়োজনে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়াও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

বেহাল সেতুই নদী পারাপারের একমাত্র ভরসা (Ketugram)
রাস্তার সমস্যার পাশাপাশি রয়েছে আরও বড় আতঙ্ক নদী পারাপার। বাজারের দিকে যেতে হলে অস্থায়ী সেতুর উপর দিয়েই যাতায়াত করতে হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুটির অবস্থা অত্যন্ত বেহাল। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর অন্ধকারে সেটি পার হওয়া কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়ে। তখন নৌকাই একমাত্র ভরসা।
বছরের পর বছর দাবি, তবুও মিলছে না স্থায়ী সমাধান (Ketugram)
গ্রামবাসীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে পাকা রাস্তা ও স্থায়ী পাকা সেতুর আবেদন জানিয়ে আসছেন তাঁরা। প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে বিষয়টি জানানো হলেও অভিযোগ, স্থায়ী সমাধান এখনও হয়নি। রাজনৈতিক পালাবদল ঘটলেও তাঁদের দৈনন্দিন দুর্ভোগের ছবি বদলায়নি। বিজেপির কেতুগ্রাম ৬ নম্বর মণ্ডলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ মজুমদারও বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আনার কথা জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন : Abhishek Banerjee PA: শালবনি জমি মামলায় ফের সিআইডি-র জেরার মুখে সুমিত রায়
“আর আশ্বাস নয়, এবার চাই কাজ”
উদ্ধারণপুর বিধানপল্লীর মানুষের দাবি অত্যন্ত সাধারণ চলাচলের উপযোগী একটি পাকা রাস্তা এবং নিরাপদ একটি পাকা সেতু। তাঁদের প্রশ্ন, স্বাধীনতার ৭৯ বছর পরও কেন এই মৌলিক পরিকাঠামো অধরা থাকবে?



