Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: সোমবার সকালেই অফিসযাত্রা করতে গিয়ে (Kolkata Metro Rail) বড়সড় দুর্ভোগের মুখে পড়লেন কলকাতাবাসীরা। সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসেই উত্তর-পথের মেট্রো পরিষেবায় দেখা দিল বিপর্যয়। দক্ষিণেশ্বর ও দমদম স্টেশন থেকে দিনের প্রথম মেট্রো নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে চালু হয়। যার জেরে হাজার হাজার যাত্রীরা পড়েন চরম সমস্যায়।
দিনের প্রথম মেট্রো ছাড়তে দেরি (Kolkata Metro Rail)
কলকাতা মেট্রো সূত্রে জানা যাচ্ছে, এই সমস্যার মূল কারণ ছিল নোয়াপাড়া (Kolkata Metro Rail) কারশেডের থার্ড লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন। বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে নির্ধারিত সময়ে ট্রেন ছাড়া সম্ভব হয়নি। দক্ষিণেশ্বর থেকে যেখানে প্রথম মেট্রো ছাড়ার কথা ছিল সকাল ৭টা নাগাদ, সেখানে তা ছাড়ে প্রায় এক ঘণ্টা পরে-সকাল ৭টা ৫৪ মিনিটে। দমদম স্টেশন থেকেও দিনের প্রথম মেট্রো ছাড়তে দেরি হয়।
স্টেশনে এসে জানতে পারেন পরিষেবা বিঘ্নিত (Kolkata Metro Rail)
এই বিভ্রাটে বিপাকে পড়েন বিশেষ করে সেই যাত্রীরা, যাঁরা সকাল সকাল অফিস বা জরুরি কাজে বেরিয়ে (Kolkata Metro Rail) পড়েছিলেন। অনেকেই স্টেশনে এসে জানতে পারেন পরিষেবা বিঘ্নিত, অথচ আগেভাগে কোনও ঘোষণা ছিল না মেট্রোর পক্ষ থেকে। ফলে সংশয় ও বিভ্রান্তি বাড়ে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে।
এক ঘণ্টা পর মেট্রো চলাচল আংশিকভাবে শুরু
যদিও মেট্রো কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, সমস্যা দেখা দেওয়ার পর তৎপরতার সঙ্গে কাজ শুরু করেন প্রযুক্তিগত কর্মীরা। অবশেষে প্রায় এক ঘণ্টা পর মেট্রো চলাচল আংশিকভাবে শুরু হয়। তবে পরিষেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে আরও কিছুটা সময় লাগে। অন্যদিকে, আপ লাইনে অর্থাৎ শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দক্ষিণেশ্বরমুখী রুটে পরিষেবা ছিল একেবারে স্বাভাবিক। মূল সমস্যা দেখা দিয়েছে ডাউন লাইনে-দক্ষিণেশ্বর বা দমদম থেকে শহরের দিকে আসা ট্রেনগুলিতে।
আরও পড়ুন: Indu 3: ইন্দুর সমস্যার সমাধান কই ? উত্তর দিতে আসছে ‘ইন্দু ৩’!
যাত্রীদের একাংশের অভিযোগ, এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ দিনে পরিষেবা ব্যাহত হওয়া ও তার যথাযথ তথ্য না জানানো-এই দুই মেট্রো কর্তৃপক্ষের গাফিলতিরই প্রমাণ। অফিস টাইমে এত বড় বিভ্রাট হলে তার প্রভাব পড়ে হাজার হাজার মানুষের কর্মজীবনে।মেট্রো রেল যদিও পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনার আশ্বাস দিয়েছে, তবে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনায় আগাম সতর্কবার্তা ও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকলে যাত্রীদের দুর্ভোগ যে বাড়তেই থাকবে, তা বলাই বাহুল্য।


