Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সুমনা বেরাঃ পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি (Madan Mitra) মামলায় ফের তৎপর ইডি (Enforcement Directorate)। স্ত্রী-পুত্রর পর এবার ইডির স্ক্যানারে মদন মিত্র। বুধবার দুপুরে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডি-র অফিসে হাজিরা দিলেন কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। পরনে সাদা পাজামা-পাঞ্জাবি, চোখে সানগ্লাস।
প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে হাজিরা (Madan Mitra)
ইডি সূত্রে খবর, বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ সমস্ত প্রয়োজনীয় (Madan Mitra) আয়-ব্যয় ও আর্থিক লেনদেনের নথিপত্র সহ কামারহাটির বিধায়ককে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নির্দেশ মতোই নির্দিষ্ট সময়ে সিজিও কমপ্লেক্সে পৌঁছান তিনি। গাড়ি থেকে নেমেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মদন মিত্র (Madan Mitra) বলেন, ‘তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করব। আমি কোনও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। যা নথি আনতে বলেছে, সব এনেছি। ইডি যাকে মনে করবে, ডাকতেই পারে।’
আরও পড়ুন: Dhanush Birthday: ধনুষ মানেই সুপারহিট! জন্মদিনে ফিরে দেখা ১০টি কালজয়ী গান
কামারহাটি ও টিটাগড় পুরসভায় প্রায় ১২৫ জনকে বেআইনিভাবে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, পুর নিয়োগ দুর্নীতির কেলেঙ্কারির সূত্রপাত হয়েছিল অয়ন শীলের সল্টলেকের বাড়িতে তল্লাশি চালানোর সময় উদ্ধার হওয়া বিপুল নথির ওপর ভিত্তি করে। কেন্দ্রীয় সংস্থার মতে, এই বিপুল সংখ্যক ভুয়ো নিয়োগের নেপথ্যে কোটি কোটি টাকার আর্থিক আদান-প্রদান হয়েছিল। এর সঙ্গে কীভাবে জড়িত মদন মিত্র? তদন্তে ইডি।
পরিবারের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট কেন্দ্রীয় নজরে (Madan Mitra)
ইডি আধিকারিকদের মূল লক্ষ্য বেআইনি নিয়োগের মাধ্যমে আসা সেই বিপুল টাকার চূড়ান্ত গন্তব্য খুঁজে বের করা। আর্থিক লেনদেনের সূত্র ধরেই কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র ও তাঁর পরিবারের একাধিক সদস্যের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এখন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের নজরে।

আরও পড়ুন: Sudipta Chakraborty: লক্ষ্মীলাভের মঞ্চে বড় পরিবর্তন, পাল্টে যাচ্ছে সঞ্চালিকা!
এই মামলার তদন্তে গতি আনতে ইডি আধিকারিকরা ইতিমধ্যেই মদন মিত্রের দুই ছেলে এবং স্ত্রীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। পরিবারের পর এবার খোদ বিধায়ককে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে একাধিক নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।


