Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: কলকাতায় সামান্য কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতে (Mamata Banerjee) ফের একবার প্রকট হল পরিকাঠামোর দুর্বলতা। জল জমা রাস্তায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল একাধিক মানুষের। আর এই মৃত্যু নিয়েই ফের প্রশ্নের মুখে বেসরকারি বিদ্যুৎ সংস্থা সিইএসসি (CESC)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন, এই ঘটনায় সম্পূর্ণ দায় নিতে হবে সংস্থাকেই।
ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দায়িত্ব সিইএসসি-রই (Mamata Banerjee)
গত মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ (Mamata Banerjee) দেওয়ার দায়িত্ব সিইএসসি-রই। শুধু আর্থিক ক্ষতিপূরণই নয়, পরিবারগুলোর জন্য চাকরির ব্যবস্থাও করতে হবে ওই সংস্থাকেই। আর যদি তারা সেই দায়িত্ব না নেয়, তাহলে সরকারের তরফ থেকে দেওয়া হবে হোমগার্ডের চাকরি।
মুখ্যমন্ত্রীর কড়া অবস্থান (Mamata Banerjee)
বুধবার ভবানীপুরের একটি দুর্গাপুজোর উদ্বোধনে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেন, “যেহেতু সিইএসসি-র গাফিলতিতেই প্রাণহানি হয়েছে, তাই তাদেরই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।” তিনি অনুরোধ করেছেন, মৃতদের পরিবারকে যেন ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেয় সংস্থাটি। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের তরফ থেকেও দেওয়া হবে ২ লক্ষ টাকা করে। চাকরির প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “সিইএসসি যদি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না করে, তাহলে আমাদের সরকার চাকরি দেবে। হোমগার্ড হিসেবে অন্তত একজন সদস্যকে সরকারি ব্যবস্থায় নিয়োগ করা হবে।”
অব্যবস্থার অভিযোগে আক্রমণ সিইএসসি-কে
সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত একাধিক মানুষ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান কলকাতার বিভিন্ন জায়গায়। এই ঘটনায় মঙ্গলবার আরও কড়া ভাষায় সিইএসসি-কে তীব্র আক্রমণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “জল জমেছে, কিন্তু কোথাও বিদ্যুৎ বন্ধ করা হয়নি। জরুরি ভিত্তিতে আরও কর্মী নামাতে হবে।” তিনি ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, “এখানে ব্যবসা করছে, অথচ পরিকাঠামো উন্নয়নের কোনও উদ্যোগ নিচ্ছে না। রাজস্থানে আধুনিকীকরণের কাজ করছে, কিন্তু এখানে কিছুই করছে না। আমি বারবার বলেও কোনও লাভ হচ্ছে না।”
আরও পড়ুন: Tanuka Chatterjee: মেকআপ আর্টিস্ট টেকনিশিয়ানদের বিশেষ উপহার, তনুকার অন্যরকম পুজো
জল জমা শহরে পরিকাঠামো নিয়ে উদ্বেগ
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, “প্রকৃতি আমাদের হাতে নেই। কিন্তু কলকাতা বন্দর বা ফরাক্কা ব্যারেজ ২০ বছর ধরে ড্রেজিং করেনি। ফলে বাইরের রাজ্যে বৃষ্টি হলেও জল চলে আসছে এখানে।” তিনি জানান, ইতিমধ্যেই বেশিরভাগ জায়গা থেকে জল নেমে গিয়েছে, তবে কিছু নিচু এলাকায় এখনও সমস্যা রয়ে গেছে।


