Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতের হেড কোচ গৌতম গম্ভীরকে আবার সমালোচনার মুখে পড়তে হলো (Mohammad Kaif)।
গম্ভীরের সমালোচনায় কাইফ (Mohammad Kaif)
নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ জিতলেও সমালোচনার মুখে পড়তে হলো গম্ভীরকে। ভারতের টিম ম্যানেজমেন্টেরও সমালোচনা করতে ছাড়লেন না মহম্মদ কাইফ। তাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ আনলেন কাইফ (Mohammad Kaif)।
প্রসঙ্গত নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে চোট পান ওয়াশিংটন সুন্দর। বাকি দুটি মনেডে ম্যাচে তিনি খেলতে পারবেননা। যা আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে চিন্তা বাড়িয়েছে ভারতের। নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজেও তাঁকে দেখা যাবে কিনা সেই বিষয়েও স্পষ্ট করে কিছু জানানো হয়নি। সেই অবস্থায় নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে কোচের সিদ্ধান্ত নিয়ে। সুন্দরের পরিবর্তে দলে ডাক পেয়েছেন আয়ুষ বাদোনি।
এই প্রেক্ষিতে কাইফ প্রশ্ন করেছেন, চোট পাওয়ার পর গিলকে বিশ্রাম দেওয়া হলেও সেই নিয়ম সুন্দরের ক্ষেত্রে কেন প্রযোজ্য হল না? তবে কি গিলকে রক্ষা করা হচ্ছে? দুজন প্লেয়ারের ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম কেন?

কাইফ তাঁর ইউটিউব চ্যানেলে বলেন, ‘শুভমান গিল যখন চোট পেল, তখন সে কলকাতা টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে আর ব্যাট করতে নামল না। হাইস্কোরিং ম্যাচ ছিল। সবাই মনে করেছিলেন গিল ২০-৩০ রান করলে ভারত ম্যাচটা জিতে নেবে। গিল কিন্তু নামেনি আর ব্যাট করতে। খেলোয়াড়কে পুরোদস্তুর রক্ষা করা হয়েছিল, যাতে আরও বড় চোট না হয়। কিন্তু একই ব্যবহার ওয়াশিংটন সুন্দরের সঙ্গে করা হল না কেন? এর জন্যই আমি মনে করছি সিদ্ধান্তটা সঠিক ছিল না। লোকেশ রাহুলের রানিং বিটুইন দ্য উইকেট প্রভাবিত হয়েছিল। ভারত জিতলেও আমি মনে করি সুন্দরের চোট বাড়লেও বাড়তে পারত।’

আরও পড়ুন: Virat Kohli: শ্রেয়স আইয়ারের মুখে বিরাট প্রশংসা
সুন্দরকে নিয়ে ভারতের এই সিদ্ধান্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করেন কাইফ। তিনি বলেন, ‘চোট ছিল সুন্দরের। প্রতি বলে রান করার দরকার হয়, তাহলে অন্য কাউকে চেষ্টা করা উচিত ছিল। যখন কোন খেলোয়াড় চোটগ্রস্ত হয় এবং চাপের মুখে তাকে মাঠে পাঠানো হয়, তখন চোট আরও বাড়তে পারে। বল ডিপ পয়েন্ট বা স্কোয়ার লেগে গেলেও দুটো রান নিতে পারছিল না। কেবল সিঙ্গলস নিচ্ছিল। ম্যাচটি নিয়ন্ত্রণে ছিল, তবুও আমার মনে হয়েছে একজন চোটগ্রস্ত খেলোয়াড়কে মাঠে পাঠানো ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত। এক সপ্তাহ বা দশ দিনের আঘাত ২০, ২৫, এমনকী ৩০ দিন পর্যন্তও দীর্ঘ হতে পারে (Mohammad Kaif)।’


