Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার সাক্ষী, শতবর্ষী বৃদ্ধ মহম্মদ ইসফাক খানের নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় (Voter list) না থাকায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে পরিবারে। ১৯২৫ সালে জন্ম নেওয়া এই প্রবীণ নাগরিক স্বাধীন ভারতে অনুষ্ঠিত প্রতিটি নির্বাচনে তাঁর ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এমনকি গত লোকসভা নির্বাচনে ভোটকর্মীরা বাড়িতে এসে তাঁর ভোট নিয়ে গিয়েছিলেন। অথচ, সর্বশেষ ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় দুশ্চিন্তায় তাঁর পরিবার।
পরিবারের কর্তারই নাম নেই তালিকায় (Voter list)
সপ্তগ্রাম বিধানসভার চক বাঁশবেড়িয়া এলাকার তিন নম্বর গুমটির বাসিন্দা মহঃ ইসফাক খান ৮৬ নম্বর বুথের একজন পরিচিত ভোটার। রুজি-রোজগারের সন্ধানে একসময় উত্তরপ্রদেশের গোরখপুর থেকে বাঁশবেড়িয়ায় চলে আসেন তিনি এবং সেই থেকে এই এলাকাতেই স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তাঁর পরিবারে ছেলে-মেয়ে, নাতি-নাতনি মিলিয়ে প্রায় ত্রিশ জন ভোটার রয়েছেন। পরিবারের কর্তা হওয়া সত্ত্বেও, শেষ এসআইআর (Special Intensive Revision) তালিকা ২০০২-এ তাঁর নাম নেই।
আরও পড়ুন:BJP Budget: বাংলা জয়ে বিজেপির বাজেট ১০০০ কোটি? ব্যয় সামলাতে ধর্মেন্দ্র প্রধানের নেতৃত্বে কমিটি
বৃদ্ধের ছেলে মহঃ সাজ্জাদ খান উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের পরিবারের কর্তা হলেন বাবা। আমার নাম আছে, আমার ছেলের নাম আছে—কিন্তু শুধু বাবার নামটাই নেই (Voter list)। অথচ শেষ লোকসভা, বিধানসভা নির্বাচন সহ ২০০২ সালের আগে পরের সব নির্বাচনেই বাবা ভোট দিয়েছেন। শেষ লোকসভায় তো ভোটকর্মীরা বাড়িতে এসে ভোট নিয়ে গেছেন।”
আরও পড়ুন: SSC: নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অযোগ্যরা অংশ নিলে কমিশনকে নিতে হবে কড়া পদক্ষেপ, নির্দেশ হাইকোর্টের
এই পরিস্থিতিতে মহঃ ইসফাক খান বর্তমান এসআইআর-এর জন্য এনুমারেশন ফর্ম পেয়েছেন। কিন্তু ১০০ বছর বয়সী এই ভোটার কি শেষ পর্যন্ত ভোটার তালিকায় থাকতে পারবেন? এই প্রশ্নই এখন বৃদ্ধ এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। একজন শতায়ু নাগরিক যিনি দেশের গণতান্ত্রিক ভিত্তিকে মজবুত করতে এত বছর ধরে ভোট দিয়েছেন, তাঁর নাম তালিকা থেকে বাদ পড়া কেবল পরিবারের জন্যই নয়, স্থানীয় নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। নির্বাচন দপ্তর দ্রুত বিষয়টি খতিয়ে দেখে এই প্রবীণ ভোটারের নাম তালিকায় (Voter list) অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


