Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতে তাপপ্রবাহ এখন শুধু দিনেই সীমাবদ্ধ নেই রাতেও থাবা বসাচ্ছে অস্বস্তিকর গরম(Night Temperature)। ভারতীয় আবহাওয়া দফতর (IMD) জানিয়েছে, দেশের বেশিরভাগ অংশে স্বাভাবিকের তুলনায় রাতে অনেক বেশি উষ্ণতা দেখা যাচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে।
রাতে বাড়ছে তাপমাত্রা (Night Temperature)
IMD জানিয়েছে, যখন রাতের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৪.৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড থেকে ৬.৪ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের বেশি থাকে, তখন তাকে “উষ্ণ রাত” বলা হয়। আর যদি তা ৬.৪ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের বেশি হয়, তাহলে সেটি “তীব্র উষ্ণ রাত” হিসেবে ধরা হয়। সাধারণত দিনে ৪০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের বেশি তাপমাত্রার পর এমন রাত বেশি দেখতে পাওয়া যাচ্ছে।
শহরে উষ্ণ রাত
গবেষণা বলছে, ১৯৮০ থেকে ২০২০-এর মধ্যে প্রতি দশকে উষ্ণ রাতের সংখ্যা ২ থেকে ৮ দিন পর্যন্ত বেড়েছে। মুম্বই, বেঙ্গালুরু, দিল্লি-সহ বড় শহরগুলোতে এই প্রবণতা আরও বেশি স্পষ্ট। নগরায়ণ ও জলবায়ু পরিবর্তন মিলেই এই পরিস্থিতি তৈরি করছে। কংক্রিট, অ্যাসফল্ট ও উঁচু ভবন দিনে তাপ শোষণ করে রাতে তা ধীরে ধীরে ছাড়ে, ফলে শহরগুলো সহজে ঠান্ডা হতে পারে না।
আর্দ্রতা বাড়ায় সমস্যা জটিল
আর্দ্রতা বাড়ার ফলে সমস্যা আরও জটিল হয়েছে। আর্দ্র বাতাসে ঘাম শুকোতে দেরি হয়, ফলে শরীরের তাপমাত্রা কমানো কঠিন হয়ে পড়ে। এর ফলে ডিহাইড্রেশন, ঘুমের সমস্যা, হৃদ্রোগের ঝুঁকি ও মানসিক ক্লান্তি বাড়ে।
কম্পাউন্ড হিটওয়েভ (Night Temperature)
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, উষ্ণ রাত ও দিনের তাপপ্রবাহ একসঙ্গে ঘটলে “কম্পাউন্ড হিটওয়েভ” তৈরি হয়, যা আরও বিপজ্জনক। তবুও ভারতের বর্তমান হিট অ্যাকশন প্ল্যানগুলো মূলত দিনের গরমের উপরেই বেশি জোর দেয়।
আরও পড়ুন: Nazi Search: জার্মানিতে জনপ্রিয় অনলাইন সার্চ টুল: নিমেষেই খোঁজ দিচ্ছে নাৎসি যোগের
সমাধানের দিকে নজর (Night Temperature)
সমাধান হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শহরে গাছপালা বাড়ানো, কুল রুফ এবং ভাল বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। না হলে ভবিষ্যতে উষ্ণ রাতের সংখ্যা আরও বাড়বে এবং বিভিন্ন রোগের প্রকোপ বাড়বে।



