Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অভ্রদীপ দাস: বঙ্গ বিজেপির সাংগঠনিক প্রস্তুতিকে আরও গতি দিতে দুদিনের সফরে কলকাতায় এসেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। নিউ টাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে ইতিমধ্যেই রাজ্য বিজেপির পদাধিকারীদের নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠক শুরু হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য-সহ দলের একাধিক শীর্ষ নেতা।
সাংগঠনিক রদবদলের পরেই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক (Nitin Nabin)
শুক্রবারই রাজ্য বিজেপির সাংগঠনিক স্তরে একাধিক রদবদল করা হয়েছে। তার মাত্র দুদিনের মধ্যেই সর্বভারতীয় সভাপতির কলকাতা সফর এবং ধারাবাহিক বৈঠক ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে পরিবর্তনের পর আগামী দিনের কর্মসূচি ও সাংগঠনিক কৌশল নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
মোর্চা ও জেলা নেতৃত্বের সঙ্গেও বৈঠক (Nitin Nabin)
রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের পাশাপাশি বিভিন্ন মোর্চার রাজ্য সভাপতি, জেলা সভাপতি এবং অন্যান্য সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন নিতিন নবীন। এরপর দলীয় সাংসদ, বিধায়ক এবং মন্ত্রীদের সঙ্গেও আলাদা করে আলোচনা করার কথা রয়েছে। সন্ধ্যায় রাজ্য বিজেপির কোর কমিটির বৈঠকেও যোগ দেবেন সর্বভারতীয় সভাপতি।

হুমায়ুনকে নিশানা করে কটাক্ষ (Nitin Nabin)
এদিন রাজনৈতিক বক্তব্যে হুমায়ুন কবীরকে নিশানা করেন বিজেপি নেতৃত্বের একাংশ। বলা হয়, “শকুনির অভিশাপে গরু মরে না”—এই প্রবাদ টেনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে করা মন্তব্যের জবাব দেওয়া হয়। বক্তার দাবি, যতই বিরোধিতা বা অভিশাপ দেওয়া হোক না কেন, মুখ্যমন্ত্রীর কোনও ক্ষতি হবে না এবং বাংলার মানুষের আশীর্বাদ তাঁর সঙ্গে রয়েছে।
কুণাল ঘোষের হামলার অভিযোগ (Nitin Nabin)
অন্যদিকে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলা ও তাঁকে অনুসরণের অভিযোগ নিয়েও রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ঘটনাটি আসলে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর অভ্যন্তরীণ সংঘাতের ফল। একদিকে ঋতব্রত গোষ্ঠী, অন্যদিকে মমতা গোষ্ঠী—এই দ্বন্দ্ব থেকেই ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করা হয়।
আরও পড়ুন: RG Kar Case: আরজি কর মামলায় ফের বিস্ফোরক দাবি নির্যাতিতার মায়ের
অভিযোগ ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ
কুণাল ঘোষের দাবি, প্রাণের আশঙ্কায় তিনি নারকেলডাঙা থানায় আশ্রয় নিয়েছেন এবং ঘটনার অভিযোগ জানিয়েছেন। পাল্টা বিজেপির বক্তব্যে ঘটনাটিকে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে কটাক্ষ করা হয়েছে। এমনকি সংবাদমাধ্যমে প্রচার পাওয়ার জন্য ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে তুলে ধরা হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে। ফলে একদিকে বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠক, অন্যদিকে হামলার অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর—দুই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরগরম বঙ্গ রাজনীতি।



