Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ও বালুচ বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘর্ষ নতুন করে তীব্র রূপ নিয়েছে। শীর্ষ গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, বেলুচিস্তানের সুরাব ও গোয়াদরে সাম্প্রতিক পাকিস্তানি বিমান হামলায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ২১ জন অসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন(Pak Attack Balochistan)।
বিদ্রোহীদের বড় দাবি (Pak Attack Balochistan)
এই রক্তক্ষয়ী হামলা এমন এক সময়ে ঘটল, যার কিছুদিন আগেই বালুচ লিবারেশন আর্মি (BLA) চলতি মাসে অন্তত ৩৮ জন পাকিস্তানি সৈন্যকে হত্যার দাবি করেছিল। বিএলএ-র এই ঘোষণার পরপরই পাকিস্তান সেনাবাহিনী অঞ্চলটিতে তাদের বিমান হামলা জোরদার করে।
রাতভর পাল্টাপাল্টি হামলা
বিমান হামলার মধ্যেই বিএলএ-র সশস্ত্র যোদ্ধারা রাতে নতুন করে আক্রমণ শুরু করে। রাজ্যের অন্তত ছয়টি স্থানে পুলিশ ও সামরিক বাহিনীকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। তবে রাতের এই সংঘর্ষে কতজন হতাহত হয়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ ও প্রাণহানি
বুধবারের দিকে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ দাবি করে, বেলুচিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ১০ জন বিদ্রোহী নিহত হয়েছে। একই সঙ্গে তারা জানায়, একটি গাড়ি বোমা অকালেই বিস্ফোরিত হওয়ায় মোট ১১ জন মারা যায়। এর মধ্যে বিস্ফোরক তৈরিতে ব্যস্ত থাকা ৮ জন সন্ত্রাসী এবং পাশের একটি বাড়ির ৩ জন সাধারণ বাসিন্দা রয়েছেন।
স্বাধীনতার দীর্ঘ সংগ্রাম (Pak Attack Balochistan)
পাকিস্তান শাসনে থাকা এই দক্ষিণ-পশ্চিম প্রদেশটি জাতিগত বালুচদের দীর্ঘদিনের স্বাধিকার আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু। বালুচ জাতীয়তাবাদীদের দাবি, ১৯৪৭ সালে তাদের অঞ্চলটিকে জোরপূর্বক পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যা সম্পূর্ণ বেআইনি।
আরও পড়ুন: Hormuz Clash: হরমুজ দ্বন্দ্ব চরমে: আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে বাড়ছে কূটনৈতিক জটিলতা
এই রাজনৈতিক অসন্তোষ থেকে পরবর্তীতে সশস্ত্র লড়াইয়ের জন্ম হয়(Pak Attack Balochistan)। বিএলএ-র মতো একাধিক সক্রিয় গোষ্ঠী এখন প্রদেশটিকে পাকিস্তানের শাসন থেকে সম্পূর্ণ স্বাধীন করার লক্ষ্যে অস্ত্র হাতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে পুরো অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী অনিশ্চয়তা ও সহিংসতা বিরাজ করছে।



