Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে (PoK) আয়োজিত তথাকথিত বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে পাকিস্তানকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল ভারত। এই নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে পাকিস্তানের অবৈধ দখলদারি বৈধ করার এবং অঞ্চলে চালানো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন আড়াল করার একটি “লোকদেখানো” (cosmetic) প্রয়াস বলে বর্ণনা করেছে নয়া দিল্লি(PoK Election)।
ভারতের স্পষ্ট ও অনড় অবস্থান (PoK Election)
ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, সমগ্র জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখ ভারতের চিরন্তন ও অবিচ্ছেদ্য অংশ। পাকিস্তানের অবৈধ ও বলপূর্বক দখলে থাকা অঞ্চলগুলিও এর অন্তর্ভুক্ত। তিনি বলেন, “এই ধরনের প্রসাধনমূলক নির্বাচনী মহড়া পাকিস্তানের অবৈধ দখলদারিকে ঢেকে রাখার এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চোখ ধুলো দেওয়ার চেষ্টা ছাড়া কিছুই নয়।”
নির্বাচনের প্রথম দফা ও কারচুপির অভিযোগ
২৭ জুলাই থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত তিনটি দফায় PoK বিধানসভার ৪৫টি আসনে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রাথমিক ফল অনুযায়ী, প্রথম দফায় ১৩টি আসনের মধ্যে ৯টিতে জয়ী হয়েছে ক্ষমতাসীন পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (PML-N)। বাকি ৪টি আসনে জিতেছে যৌথ অংশীদার পাকিস্তান পিপলস পার্টি (PPP)। ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (PTI) এই নির্বাচন বয়কট করেছে।
দীর্ঘস্থায়ী গণবিক্ষোভ ও গণ অসন্তোষ(PoK Election)
বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অঞ্চলে চলমান তীব্র গণবিক্ষোভের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, এটি পাকিস্তানের অর্থনৈতিক শোষণ, প্রশাসনিক নিপীড়ন এবং জনগণের মৌলিক অধিকার হরণেরই সরাসরি প্রতিক্রিয়া।
বর্তমানে জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি (JAAC)-র নেতৃত্বে টানা ৫২ দিন ধরে রাজনৈতিক স্বাধীনতা, মূল্যবৃদ্ধি রোধ ও অর্থনৈতিক স্বস্তির দাবিতে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। সম্প্রতি আলোচনার পথ বন্ধ হওয়ায় আন্দোলনকারীরা মুজাফফরাবাদের দিকে পদযাত্রাও শুরু করেছেন।
আরও পড়ুন: Wuhan Fauci: উহান ওয়েট মার্কেট কি সত্যিই করোনা মহামারীর উৎস, কী বলছে ফাউচির ডায়েরি?
ভারত ফের জানিয়েছে যে, অধিকৃত অঞ্চলে পাকিস্তানের কোনও নির্বাচনী বা প্রশাসনিক পদক্ষেপের আইনি বৈধতা নেই এবং তা কাশ্মীরের সার্বভৌমত্ব নিয়ে নয়া দিল্লির অবস্থান পরিবর্তন করতে পারবে না(PoK Election)।



