Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ঋতব্রত তৃণমূল-ই আসল (TMC)। অরূপ রায় দলের সর্বভারতীয় চেয়ারপার্সন, সেটাই দলের আসল পরিচয়। রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে জানিয়ে দিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। দাবি করেন, পার্টি অফিস এবং দলীয় তহবিলের বিষয়টিও তাঁদের নিয়ন্ত্রণাধীন। তিনি জানান, সিভিল জজের নির্দেশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে, ২২ জুন অনুষ্ঠিত বিশেষ অধিবেশনে যে জাতীয় কর্মসমিতি গঠন করা হয়েছে, সেটিই আইনত স্বীকৃত তৃণমূল কংগ্রেস। তাঁর দাবি, এই কমিটির চেয়ারম্যান অরূপ রায় এবং তাঁর নেতৃত্বাধীন সংগঠনই বৈধ রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে বিবেচিত হবে।
দলের সাধারণ কর্মীদের মামলা (TMC)
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য অনুযায়ী, এই মামলা (TMC) করেছিলেন দলের সাধারণ কর্মীরাই। আদালতের নির্দেশে বলা হয়েছে, অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন সংগঠন ছাড়া অন্য কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেস বলে দাবি করতে পারবে না। এমন দাবি আইনত গ্রহণযোগ্য হবে না এবং তারা দলের নামে কোনও সাংগঠনিক বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তও নিতে পারবেন না।
কোন কাজ আইন বিরুদ্ধ?
তিনি আরও বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী দলের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট, তহবিল, সম্পত্তি, নথিপত্র কিংবা দলীয় কার্যালয় ব্যবহারের অধিকার শুধুমাত্র অরূপ রায়ের নেতৃত্বাধীন কমিটিরই রয়েছে। বিশেষ করে মেট্রোপলিটন এলাকার তৃণমূল ভবন বা অন্যান্য দলীয় অফিসে অন্য কোনও গোষ্ঠীর প্রবেশ বা ব্যবহার আইনবিরুদ্ধ বলে দাবি করেন তিনি।
আরও পড়ুন: Weather Alert: দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির দাপট অব্যাহত, উত্তরবঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা!
ঋতব্রত জানান, আদালতের এই নির্দেশের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে খুব শীঘ্রই দলের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক হবে। পাশাপাশি ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচিকে সামনে রেখে সোমবার গান্ধী মূর্তির কাছে গিয়ে প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখা হবে।
তিনি দাবি করেন, আদালতের রায়ের মূল বার্তা একটাই- যার চেয়ারম্যান অরূপ রায়, সেই তৃণমূল কংগ্রেসই বৈধ এবং আইনত স্বীকৃত। অন্য কোনও গোষ্ঠীর দলীয় পরিচয়ে কার্যকলাপ পরিচালনা আদালতের নির্দেশের পরিপন্থী বলেই তাঁদের দাবি।


