Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সুপ্রিম কোর্টে পথ কুকুরদের নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত মামলার (SC On Dogs) শুনানিতে এবার উঠল অন্য প্রাণীদের জীবন সংক্রান্ত প্রশ্নও। বুধবার, ৭ জানুয়ারি শুনানিতে আদালত জানতে চেয়েছে, “মুরগি, ছাগল-এদের কি জীবনের কোনো গুরুত্ব নেই?” এই মন্তব্যে সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, কেবল পথ কুকুর নয়, সকল প্রাণীর জীবনের প্রতি দায়বদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।
পশুর আচরণ কখনও পূর্বানুমান করা সম্ভব নয় (SC On Dogs)
শুনানিতে বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহতা (SC On Dogs) এবং বিচারপতি এনভি আঞ্জারিয়ার বেঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। বেঞ্চের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পশুর আচরণ কখনও পূর্বানুমান করা সম্ভব নয়। বিচারপতি বিক্রম নাথ উল্লেখ করেন, “কেউ বলতে পারবে না কোন কুকুর কখন কামড়াবে বা ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ করবে। সকাল-বিকেল কোন কুকুরের মুড কেমন থাকবে, তা কেউ জানে না।” আদালত প্রশ্ন তুলেছে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল বা আদালতের চত্বরে পথ কুকুর রাখা কীভাবে উপযুক্ত হতে পারে।

প্রাণীর সুরক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা (SC On Dogs)
এদিন এক পশুপ্রেমীর বক্তব্য ছিল, “পথকুকুরদের পাউন্ডে পাঠানো (SC On Dogs) হোক। যদি পথকুকুর না থাকে, তাহলে আবর্জনা ও বাঁদরের কী হবে?” তাদের বক্তব্যের সঙ্গে আইনজীবী কপিল সিবলও একমত হয়ে বলেন, “আমরা এখানে কুকুরপ্রেমী এবং পরিবেশপ্রেমী হিসেবে উপস্থিত হয়েছি। আমাদের লক্ষ্য প্রাণীর সুরক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা।”
আরও পড়ুন: BJP: রাজ্য কমিটিতে নাম নেই দিলীপের, এদিকে সহ সভাপতি তাপস রায়!
পশুদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত
সুপ্রিম কোর্টের গত বছরের নভেম্বরের নির্দেশনা অনুযায়ী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও রেলওয়ে স্টেশনে পথকুকুরদের উপস্থিতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে রাস্তাঘাটে কুকুরদের উপরে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। আদালত নির্দেশ দিয়েছে, টিকাকরণ ও নির্বীজকরণের পর কুকুরদের ডগ শেল্টারে রাখা হবে। এর মাধ্যমে শুধুমাত্র জনস্বাস্থ্য রক্ষা নয়, পশুদের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা হবে।

কুকুরের আচরণ নির্ধারণ করা কঠিন
আদালত আরও উল্লেখ করেছে যে, কুকুরের আচরণ নির্ধারণ করা কঠিন। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিশেষভাবে কুকুর নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অন্যদিকে, রাস্তায় বা খোলা জায়গায় কুকুরের প্রয়োজনও রয়েছে। শুনানিতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, কোন প্রাণীর জীবন মূল্যহীন নয়। মানুষের নিরাপত্তা এবং পশুর কল্যাণের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে।


