Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারত সরকার হঠাৎ করেই কাঁচা, সাদা ও পরিশোধিত চিনি রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে(Sugar Export)। বুধবার গভীর রাতে ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড (DGFT) জানায়, এই নিষেধাজ্ঞা ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বা পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
চিনি রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি (Sugar Export)
সরকারের এই সিদ্ধান্তের পিছনে মূল কারণ পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি। সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার, জাহাজ চলাচল ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধাক্কা লেগেছে। এর ফলে ভারতে মূল্যবৃদ্ধির চাপ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কমেছে দেশে মজুত চিনির পরিমাণ
ভারতের অনুমান, ২০২৫-২৬ মরসুমে দেশের চিনি উৎপাদন হবে প্রায় ২৭৫ লক্ষ টন। উদ্বৃত্ত মজুত মিলিয়ে মোট মিলবে ৩২৫ লক্ষ টন। অন্যদিকে, দেশীয় ব্যবহার প্রায় ২৮০ লক্ষ টন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে মরসুম শেষে মজুত নেমে আসতে পারে মাত্র ৪৫ লক্ষ টনে, যা গত এক দশকের মধ্যে বেশ কম।
আখ উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে
সরকার আরও আশঙ্কা করছে, এল নিনোর প্রভাবে কম বৃষ্টি হলে আগামী মরসুমে আখ উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে সার সরবরাহেও ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে
তবে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আমেরিকায় নির্ধারিত কোটার আওতায় রপ্তানি চলবে। এছাড়া সরকারি চুক্তি বা আগেই কাস্টমসে জমা পড়া চালানও পাঠানো যাবে।
আন্তর্জাতিক বাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব (Sugar Export)
এই সিদ্ধান্তে আন্তর্জাতিক বাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়েছে। নিউ ইয়র্কে কাঁচা চিনির দাম ২ শতাংশের বেশি বেড়েছে, আর লন্ডনে সাদা চিনির দাম বেড়েছে প্রায় ৩ শতাংশ।
আরও পড়ুন: Coal Mine Blast: আসানসোলের কয়লাখনিতে বিস্ফোরণে মৃত১, আহত অন্ততপক্ষে ৪০
বিশ্ব বাজারে প্রভাব (Sugar Export)
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম চিনি উৎপাদক ভারত। তাই ভারতের রফতানি বন্ধ হওয়ায় এশিয়া ও আফ্রিকার বহু দেশে চিনির সরবরাহ ও দামের ওপর চাপ বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।



