Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
মহাসপ্তমীর সন্ধ্যায় চোরবাগানে ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর নড়েচড়ে বসল রাজ্য প্রশাসন। বৃষ্টি, বিপুল ভিড় এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার নানা সমস্যার মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯ জন (Suvendu Adhikari)। ঘটনার পর রবিবার ভবানীভবনে বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই পুজোর ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও মণ্ডপের নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

বড় পুজোয় বন্ধ হবে ভিআইপি লাইন? (Suvendu Adhikari)
চোরবাগান কাণ্ড থেকে শিক্ষা নিয়ে শহরের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিআইপি পাস বা আলাদা লাইনের ব্যবস্থা বন্ধ করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, মণ্ডপে প্রবেশের ক্ষেত্রে সকলের জন্য একটি নির্দিষ্ট লাইন থাকবে। ভিআইপি এবং সাধারণ দর্শনার্থীদের আলাদা করে প্রবেশের সুযোগ না রাখার উপরই জোর দেওয়া হচ্ছে।
অস্থায়ী হোমগার্ডদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন (Suvendu Adhikari)
বিপর্যয়ের জন্য মণ্ডপের ভিড় নিয়ন্ত্রণে থাকা অস্থায়ী হোমগার্ডদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, আচমকা বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর কয়েকজন হোমগার্ড দড়ি ছেড়ে ভিতরে চলে যাওয়ায় ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে এবং বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। তবে এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তই চূড়ান্তভাবে দায় নির্ধারণ করবে।
‘আবর্জনা বইছি, এবার আর নয়’ (Suvendu Adhikari)
ভবানীভবনের বৈঠক থেকে প্রশাসনিক গাফিলতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সামলাতে হচ্ছে প্রশাসনকে। এবার আর কোনও গাফিলতি বরদাস্ত করা হবে না। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, “অ্যাকশন হবেই।”
আড়ম্বরহীন হবে বিজয়া সম্মিলনী (Suvendu Adhikari)
চোরবাগানের মর্মান্তিক ঘটনার পর আগামী ২৬ তারিখের বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানও কাটছাঁটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের উদ্যোগে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠান এবার একেবারেই আড়ম্বরবর্জিত হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। উৎসবের আবহের বদলে সেখানে গুরুত্ব পাবে শোক ও মানবিকতার বার্তা।
আরও পড়ুন: South 24 Parganas: আট মাসের ব্যবধানে ফের নাজিরাবাদের মোমো গোডাউনে আগুন!
মৃতদের স্মরণ, আহতদের পাশে সরকার
২৬ তারিখ রাজ্যের সমস্ত পুজো কমিটিকে ডাকা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই অনুষ্ঠানে চোরবাগান বিপর্যয়ে মৃত ১৯ জনের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। পাশাপাশি আহতদের হাতে আর্থিক সাহায্যের চেক তুলে দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। ভয়াবহ এই ঘটনার পর পুজোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো এবং ভবিষ্যতে এমন বিপর্যয় এড়ানোই এখন প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।



