Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তীতে রাজ্যজুড়ে একাধিক কর্মসূচি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় স্তরের সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান ও জীবনী। ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশনে দাঁড়িয়ে একগুচ্ছ বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। মিত্র ইনস্টিটিউশনকে পিএম শ্রী’ প্রকল্পে স্কুলটিকে অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণাও করেন তিনি।

বাংলা পাঠ্যবইয়ে শ্যামাপ্রসাদ (Suvendu Adhikari)
ভারত কেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্মজয়ন্তীকে স্মরণীয় করে রাখতে রাজ্যজুড়ে দিনভর একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন। সোমবার সকালেই শ্যামাপ্রসাদ-স্মরণে প্রথমে রেড রোডে উপস্থিত হন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকে মুরলীধর সেন লেন হয়ে মুখ্যমন্ত্রী সোজা পৌঁছে যান ভবানীপুরের ঐতিহ্যবাহী মিত্র ইনস্টিটিউশনে, যেখানে ১৯০৬ থেকে ১৯১৭ সাল পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। মিত্র ইনস্টিটিউশনের মঞ্চে দাঁড়িয়েই রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থায় ঐতিহাসিক বদলের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর।
আরও পড়ুন: Rajya Sabha: রাজ্যসভার ৩ আসনে উপনির্বাচন, ২৪ জুলাই কারা হচ্ছেন তৃণমূলের প্রার্থী?
তিনি জানান, বাম এবং তৃণমূল জমানায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদানকে আড়াল করার চেষ্টা হলেও, এই সরকার তাঁর স্বপ্ন পূরণ করবে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই স্কুল থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে ভারত কেশরীর জীবন ও কর্মকাণ্ড।

বিধায়ক তহবিল থেকে ২৫ লক্ষ টাকা অনুদান (Suvendu Adhikari)
শুধু সিলেবাসে অন্তর্ভুক্ত করাই নয়, ভারত কেশরীর স্মৃতিবিজড়িত মিত্র ইনস্টিটিউশন স্কুলের সার্বিক উন্নতির জন্যও একাধিক বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। স্কুলের মূল পরিকাঠামো এবং ঐতিহাসিক অবয়ব ঠিক রেখেই সম্পূর্ণ সংস্কারের কাজ করা হবে। এই পুনর্গঠনের জন্য নিজের বিধায়ক তহবিল থেকে ২৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে স্কুলটিকে কেন্দ্রীয় ‘পিএম শ্রী’ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করার কথাও জানান তিনি।
আরও পড়ুন: Baruipur: বারুইপুরে ফুঁসে উঠল জনতা? তদন্তে সামনে আসছে কোন চাঞ্চল্যকর তথ্য?
আজকের দিনে পড়ুয়াদের উদ্দেশ্যে এক বড় বার্তাও দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর স্পষ্ট কথা, শ্যামাপ্রসাদকে প্রকৃত সম্মান জানাতে হলে সবার আগে দেশকে রাখতে হবে। ছাত্র যুবকদের মনে গেঁথে নিতে হবে একটাই মন্ত্র “নেশন ফার্স্ট, নেশন ফার্স্ট, নেশন ফার্স্ট।”



