Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল : ‘বন্দে মাতরম’ গানকে কেন্দ্র করে ফের সরগরম রাজ্য রাজনীতি। বৃহস্পতিবার গোলপার্কে আরএসএসের একটি শাখা সংগঠনের বার্ষিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কড়া বার্তা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ‘বন্দে মাতরম’ গানটি সম্পূর্ণভাবে গাইতে হবে। গান অসম্পূর্ণ রাখলে সরকারি অনুদান ও সরকারি সাহায্য দেওয়া-নেওয়ার বিষয়টি বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি (Suvendu Adhikari)।
সরকারি সাহায্যের সঙ্গে দেশাত্মবোধের যোগ?
মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। সরকারি অনুদান এবং সাহায্য সাধারণত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সংগঠন ও মানুষের কল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত। সেই সরকারি সহায়তার সঙ্গে একটি নির্দিষ্ট গান গাওয়ার বিষয়টি যুক্ত করার সিদ্ধান্ত কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে সমর্থনকারীদের যুক্তি, ‘বন্দে মাতরম’ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত এবং এই গানের প্রতি যথাযথ সম্মান দেখানো প্রত্যেকের দায়িত্ব।
গোলপার্কের মঞ্চ থেকে ফের কড়া বার্তা
গোলপার্কের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের রাজনৈতিক তাৎপর্যও যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। আরএসএসের শাখা সংগঠনের অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে তাঁর এই মন্তব্যের মধ্য দিয়ে সাংস্কৃতিক ও জাতীয়তাবাদী ইস্যুতে সরকারের অবস্থান আরও স্পষ্ট করতে চাওয়া হয়েছে বলেই রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ মনে করছেন।
আরও পড়ুন : Darjeeling Loco Shed Collapse: টানা বৃষ্টিতে দার্জিলিংয়ে ভাঙল ঐতিহাসিক লোকোশেড, আহত ৮ রেলকর্মী
সামনে কি আরও বড় বিতর্ক?
‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে এই মন্তব্য ঘিরে আগামী দিনে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়তে পারে। সরকারি অনুদান পাওয়ার ক্ষেত্রে এমন কোনও শর্ত কার্যকর হলে তার আইনি ও প্রশাসনিক দিক নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর এই কড়া হুঁশিয়ারি শুধু রাজনৈতিক বক্তব্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি বাস্তবে সরকারি নীতিতেও তার প্রতিফলন ঘটবে, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যবাসীর।



