Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: তিউনিসিয়ার রক্ষণকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করল নিজেদের প্রথম ম্যাচে সুইডেন (Sweden vs Tunisia)।
সুইডেনের দুরন্ত স্টার্ট (Sweden vs Tunisia)
বিশ্বকাপের মঞ্চে কোনও না কোনও ম্যাচ থাকে যা দেখে রোমাঞ্চিত হন দর্শকরা। অনেক সময় দুই দলের সমানে সমানে টক্কর অথবা কোনও এক দলের দাপট। সুইডেনের সামনে তিউনিসিয়ার রক্ষণ উড়ে গেল। শুরুর ধাক্কার পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় এক গোল শোধ করলেও বিরতির পর আর খেয়ে খুঁজে পায়নি (Sweden vs Tunisia)।
বিশ্বকাপের ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল সুইডেন এবং তিউনিসিয়া। সেই ম্যাচে সুইডেন শুধু জয় পেয়েছে সেটা নয় বরং বিপক্ষকে উড়িয়ে রীতিমত একপেশে জয় ছিনিয়ে নেয় সুইডেন। সুইডিশদের হয়ে জোড়া গোল করেন ইয়াসিন অয়ারি। এছাড়াও বাকি তিন গোল আসে আলেক্সান্দার ইসাক, ভিক্টর গিওকেরেস ও মাতিয়াস সভানবার্গ-এর উট থেকে। তিউনিসিয়ার হয়ে একটি মাত্র গোল করেন ওমর রেকিক।

ম্যাচের শুরু থেকেই তিউনিসিয়ার রক্ষণভাগকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে থাকে সুইডেন। ম্যাচের মাত্র ৭ম মিনিটে দলকে এগিয়ে নেন আয়ারি আর সেই সময় থেকেই দাপট দেখা যায়। যে দাপট ম্যাচের শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে। শুরুর ধাক্কা সামলে ওঠার আগেই ৩০তম মিনিটে গিওকেরেসের অ্যাসিস্ট থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তারকা ফরোয়ার্ড ইসাক। ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে ম্যাচে ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা চালায় তিউনিসিয়া কিন্তু সাধ্যে আর কুলিয়ে ওঠেনি তাঁদের । প্রথমার্ধের বিরতির ঠিক আগে ৪৩তম মিনিটে হানিবাল মেজব্রির পাস থেকে গোল করে ব্যবধান কমান ওমর রেকিক।
আরও পড়ুন: Janakalyan Shibir: এক ছাতার তলায় ৫৫ পরিষেবা, জনকল্যাণ শিবিরে কী কী মিলবে?
কিন্তু বিরতির পর সেই খেলায় এমন এক ঘটনা ঘটল যার ফলে হাসির উদ্রেকও হয়। ৬০ তম মিনিটে তিউনিসিয়ার গোলকিপার বল বাড়িয়ে দেন ডিফেন্ডারের উদ্দেশ্যে কিন্তু সেখানে তিনি বলের নিয়ন্ত্রণ নিতে দেরি করায় সেই বল চলে যায় ইসাকের দখলে। তাঁর বাড়িয়ে দেওয়া বল জালে জড়িয়ে দিতে কোনও ভুল করেননি গিওকেরেস। ৩-১ ব্যবধানের পর আর খেলায় ফেরা কোনও মতেই সম্ভব ছিল না তিউনিসিয়ার। অবশেষে খেলার শেষে ফলাফল দাঁড়ায় ৫-১ (Sweden vs Tunisia)।
এই ম্যাচে ক্রিকেটের প্রযুক্তি ব্যবহার করতে দেখা গেল} ২০২৪-র ইউরোতে ব্যবহার করা হয়েছিল স্নিকোর। তার আগে ২০২২-র বিশ্বকাপে এই প্রযুক্তি ব্যবহার হয় ‘কানেক্টেড বল’ নামে। এই বিশ্বকাপে প্রথম স্নিকো নাম দিয়ে এই প্রযুক্তির ব্যবহার করা হল।
ক্রিকেটে এই প্রযুক্তির ব্যবহার পরিচিত। ডিআরএস-এ স্নিকো প্রযুক্তির সাহায্য নিতে দেখা যায়। তবে এই ম্যাচে ৮৪ মিনিটে সভানবার্গ গোল করলেও সেটা প্রথমে অফসাইড-এর কারণে বাতিল করা হয়ে। পরে ভার-এ স্নিকো দেখে বোঝা যায় বলটি সভানবার্গ-এর কাছে যাওয়ার আগে আলোকসান্দার ইসাকের বুটে সামান্য ছোঁয়া লাগে আর সেটা খালি চোখে বোঝা সম্ভব ছিল না। প্রযুক্তির সাহায্যে এটা বোঝার পরেই গোলটি বৈধ হিসেবে ধরা হয়।


