Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ৯২ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সোমবার নিউ জিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩-১ গোলে দাপুটে জয় ছিনিয়ে নিল মিশর (Egypt)।
মিশরের প্রথম জয় (Egypt)
মিশরীয় সভ্যতার ইতিহাস ছোটবেলা থেকে সবাই পড়ে এসেছে বইয়ের পাতায়। পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ এবং কৌতূহল দুই কাজ করে মিশরকে ঘিরে। একদিকে যেমন সেখানে পিরামিড সহ বহু জিনিস রয়েছে জনপ্রিয় তেমন সেই সব কিছুর পিছনে প্রযুক্তি সম্পর্কে আজও বহু মত প্রচলিত। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চেও এবার নিজেদের সেই ছাপ ফেলে দিলেন মিশরের ফুটবলাররা (Egypt)।
দশকের পর দশক এসেছে, পাল্টেছে প্রযুক্তি থেকে প্রজন্ম তবু একটা বিশেষ জিনিসের জন্য অপেক্ষায় ছিলেন ইজিপ্সিয়ানরা। অবশেষে এল সেই কাঙ্খিত মুহূর্ত। ১৯৩৪ সালে প্রথমবার ফুটবল বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ মিশর পায়। কিন্তু তারপর কেটেছে ৯২ বছর। বিশ্বকাপের মঞ্চে জয় ছিল অধরাই। মিশরের ফুটবলপ্রেমীরা ছিলেন বিশ্বকাপের মঞ্চে প্রথম জয়ের। অবশেষে সেই জয়ের স্বাদ পেলেন তাঁরা ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে। আর এই জয়ের অন্যতম নায়ক সালাহ। দুরন্ত পারফরম্যান্স সাফল্যের স্বপ্ন বজায় রেখেছেন তিনি। সোমবার নিউ জিল্যান্ডকে ৩-১ গোলে রুয়ে জয় ছিনিয়ে নিল মিশর। পিছিয়ে থেকেও দুরন্ত প্রত্যাবর্তন করে রচনা করল ইতিহাস।

ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় নিউ জিল্যান্ড। কিন্তু মিশর এই ম্যাচে নেমেছিল শুধুমাত্র জয়ের লক্ষ্য নিয়ে। সেই কারণে পিছিয়ে থেকেও লড়াই চালিয়ে ম্যাচে ফিরেছেন দাপটের সঙ্গে। এতদিন ধরে জয়ের অপেক্ষা করা মিশরের অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান ঘটল। এই দিন তারা বলের নিয়ন্ত্রণ রেখে লং শটে আক্রমণের পথ বেছে নেন আর এতেই এল কাঙ্খিত সাফল্য। ১৫ মিনিটের মাথায় গোলে করে এগিয়ে যায় নিউ জিল্যান্ড। কিউয়িদের হয়ে প্রথম গোলটি করেন ফিন সারম্যান (Egypt)।
হাফ টাইমের পরে ম্যাচের ছবি বদলে যায় পুরোপুরি। আক্রমণের তীব্রতা বাড়াতে থাকে মিশর। ৫৮ মিনিটে সমতা ফেরান মোস্তাফা জিকো। ডান দিক থেকে মহম্মদ হানির নিখুঁত ক্রসে হেডে গোল করেন এবং সমতা ফেরান। এর ৯ মিনিটের মধ্যেই আবার জ্বলে ওঠেন সালাহ। ডান দিক থেকে তিনি আক্রমণে উঠে জিকোর সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ানে খেলেন এবং বক্সে ঢুকে নিখুঁত শটে গোল করে ব্যবধান বাড়িয়ে দেন।
আরও পড়ুন: Gift Nifty: গিফ্ট নিফটি-র ইঙ্গিত থেকে প্রথম ট্রেডিংয়ে বাড়ছে আশা
৮১ মিনিটে দ্বিতীয় গোল পেতেন সালাহ। ডান দিক থেকে কাট করে বক্সে ঢুকে তাঁর নেওয়া শট বাঁচিয়ে দেন গোলকিপার। সেই কর্নার থেকেই আসে মিশরের তৃতীয় গোল। সালাহ;র নেওয়া কর্নার থেকে হেডে গোল করেন পরিবর্ত হিসেবে নামা ত্রেজেগুয়ে। এখানেই জয় নিশ্চিত হয়ে যায় মিশরের। ৮৫ মিনিটে সালাহ্ যখন মাঠ ছাড়ছেন, তখন স্টেডিয়ামে উপস্থিত প্রত্যেকে স্ট্যান্ডিং ওভেশন দেন তাঁকে। এই জয়ের ফলে চার পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘জি’-র শীর্ষে রয়েছে মিশর। তবে এই জয় শুধু তালিকা বা পরিসংখ্যান হয় বরং এই জয় মিশরীয়দের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে (Egypt)।


