Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক পরিচয়ে বড়সড় পরিবর্তনের মুখে পড়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি (TMC Symbol)। নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তে ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং দীর্ঘদিনের ‘ঘাসের উপর জোড়াফুল’ প্রতীক আপাতত ফ্রিজ করা হয়েছে। ফলে আসন্ন উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির কোনও পক্ষই পুরনো নাম ও প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না।

আপত্তি থাকলেও বিকল্পের সন্ধানে কালীঘাট (TMC Symbol)
কমিশনের সিদ্ধান্তে কালীঘাট শিবিরের আপত্তি স্পষ্ট। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন, তাঁরা কমিশনের সিদ্ধান্ত মেনে নিচ্ছেন না। তবে নির্বাচনী সময়সীমার কারণে বাস্তব পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বিকল্প নাম ও প্রতীক বেছে নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। কমিশন দুই পক্ষকেই তিনটি করে সম্ভাব্য নাম এবং প্রতীকের পছন্দ জানাতে বলেছিল(TMC Symbol)।
সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার রাতে কমিশনকে চিঠি দিয়ে সিদ্ধান্তের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কালীঘাট শিবিরের সম্ভাব্য নাম ও প্রতীকের তালিকাও পাঠানো হয়েছে। দলের নতুন নামের মধ্যে ‘ম’ অক্ষর রাখার চেষ্টা হচ্ছে বলেও সূত্রের দাবি। তবে চূড়ান্ত নাম এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। প্রয়োজনে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার পথও খোলা রাখা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।
ঋতব্রত শিবিরেও বিকল্প পরিচয়ের প্রস্তুতি (TMC Symbol)
অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরও শুক্রবার সকালে নিজেদের পছন্দের নাম ও প্রতীকের তালিকা কমিশনে জমা দিয়েছে। সূত্রের দাবি, সম্ভাব্য নামের মধ্যে রয়েছে ‘গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস’ এবং ‘পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস’। প্রতীকের ক্ষেত্রেও খাম, ব্ল্যাকবোর্ড এবং টর্চের মতো মুক্ত প্রতীক পছন্দ হিসেবে রাখা হয়েছে।
ইতিহাসের প্রতীক এখন সাময়িকভাবে বাইরে
১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই জোড়াফুল প্রতীকটি এঁকেছিলেন বলে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ইতিহাসে উল্লেখ রয়েছে। প্রায় ২৮ বছর ধরে সেই প্রতীকই ছিল দলের নির্বাচনী পরিচয়ের অন্যতম প্রধান অংশ।
আরও পড়ুন: UPI Transaction Charges: ১৫ অক্টোবর থেকে UPI-তে নতুন নিয়ম, কত টাকা চার্জ জানুন
কিন্তু এবার সেই পরিচয় ছাড়াই ভোটের ময়দানে নামতে হবে দুই শিবিরকে। নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ এবং জোড়াফুল প্রতীক কোনও পক্ষই ব্যবহার করতে পারবে না। ফলে আগামী উপনির্বাচন শুধু আসন দখলের লড়াই নয়, দুই শিবিরের নতুন রাজনৈতিক পরিচয় তৈরিরও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে উঠতে চলেছে।



