Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রাজ্যে নতুন শিল্প গড়তে এবার বিনিয়োগকারীদের (West Bengal Investment) জন্য দরজা আরও খুলে দিতে চাইছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। বড় সংস্থার পাশাপাশি ছোট ও মাঝারি শিল্পকেও উৎসাহ দিতে একাধিক আর্থিক সুবিধার কথা জানানো হয়েছে। উৎপাদন হোক বা পরিষেবা, নতুন প্রকল্পে বিনিয়োগ করলে বিভিন্ন খাতে খরচের বোঝা কমানোর সুযোগ পাবেন উদ্যোগপতিরা। সরকারের লক্ষ্য, রাজ্যে আরও বেশি শিল্প গড়ে তোলা এবং আগামী দিনে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো।
আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা (West Bengal Investment)
উৎপাদন শিল্পের ক্ষেত্রে জমি কেনার (West Bengal Investment) স্ট্যাম্প ডিউটি, বিদ্যুতের খরচ এবং এসজিএসটি-তে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা থাকছে। বিদ্যুৎ শুল্কের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত প্রতিপূরণ মিলতে পারে। শুধু তাই নয়, গবেষণা ও নতুন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলির জন্যও বিশেষ সুবিধার কথা বলা হয়েছে। ছোট ও মাঝারি শিল্পের ক্ষেত্রে যন্ত্রপাতি কেনার ঋণের সুদ এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে মিলবে আর্থিক সহায়তা।
পরিষেবা শিল্পে একাধিক ছাড় (West Bengal Investment)
পরিষেবা শিল্পের ক্ষেত্রেও রয়েছে (West Bengal Investment) একাধিক ছাড়। এসজিএসটি, ইপিএফ, বিদ্যুৎ শুল্কের পাশাপাশি নিজস্ব ব্যবসার জায়গা ভাড়া নেওয়ার খরচেও সাহায্য করা হবে। মহিলা, তফসিলি জাতি-উপজাতি এবং বিশেষভাবে সক্ষম উদ্যোগপতিদের জন্য বাড়তি সুবিধা রাখা হয়েছে। পরিবেশবান্ধব শিল্পের প্রসারেও বিশেষ নজর দিচ্ছে সরকার।
হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানগুলিও বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের নিরিখে কিছু সুবিধা পেতে পারে।
আবেদন কীভাবে?
এই সুবিধা পেতে উদ্যোগপতিদের সিঙ্গল উইন্ডো পোর্টালে আবেদন করতে হবে। আবেদন জমার ৩০ দিনের মধ্যে প্রাথমিক অনুমোদন এবং উৎপাদন শুরুর পর ৪৫ দিনের মধ্যে যোগ্যতার শংসাপত্র দেওয়ার কথা। প্রয়োজনীয় নথি জমা পড়লে ৩০ দিনের মধ্যে আর্থিক সহায়তা সরাসরি সংস্থার অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।
আরও পড়ুন: Pori Moni Arrest: বুধবার গ্রেফতারি পরোয়ানা, বৃহস্পতিবারই আদালতে পরীমণি! কী হল শুনানিতে?
এদিকে, সিঙ্গুরে শিল্প ফেরানোর বিষয়টিও নতুন করে আলোচনায়। টাটার বদলে অশোক লেল্যান্ডকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে কারখানা গড়ার বিষয়ে প্রাথমিক কথা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
তৃণমূল জমানায় শিল্পপতিদের ইনসেনটিভ দেওয়ার প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়া নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন উঠেছিল। নতুন সরকার ইনসেনটিভ চালু করছে কিনা তা নিয়ে কৌতুহল ছিল। বৃহস্পতিবার শিল্পপতিদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, পূর্বতন সরকারের ৫০,০০০ কোটি টাকা ইনসেনটিভ বকেয়া রয়েছে। এই মুহূর্তে এই বিপুল পরিমাণ টাকা তাদের সরকারের পক্ষে মেটানো সম্ভব নয়। ধীরে ধীরে সেই টাকা মিটিয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, তৃণমূল সরকার শিল্পপতিদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
যাঁদের বিরুদ্ধে ইডি বা সিবিআইয়ের মামলা রয়েছে কিংবা রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের টাকা আত্মসাৎ ও ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে, “তাঁদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর কাজের সম্পর্ক থাকবে না।”
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সামনাসামনি দেখা হলে নমস্কার, হ্যালো বলব। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ওয়ার্কিং রিলেশন রাখা সম্ভব নয়।”


