Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাণকেন্দ্র ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউস কমপ্লেক্স থেকে মাত্র ৬৫০ ফুট দূরে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ভবন কেনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ৮.৪ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হওয়া ঐতিহাসিক ‘সিকিউরিটিজ বিল্ডিং’টির ক্রেতা ‘ফিলিপ কিউ অ্যান্ড ফ্যামিলি ফাউন্ডেশন’। এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান চীনা ব্যবসায়ী ফিলিপ কিউ (কুই ফেইলি)।
সংবেদনশীল সরকারি স্থাপনার এত কাছে চীনা সংযোগ থাকা একজন ব্যবসায়ীর সম্পত্তি কেনা নিয়ে মার্কিন গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে(White House Property)।
কে এই ফিলিপ কিউ? (White House Property)
পাবলিক রেকর্ড অনুযায়ী, ফিলিপ কিউ অতীতে চীনের সাংহাই পাবলিক সিকিউরিটি ব্যুরোর গোয়েন্দা বিভাগে কর্মরত ছিলেন, যা সরাসরি চীনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন। এছাড়া, সাংহাই জিয়াও তোং বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি বিশেষ সামরিক স্নাইপার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তিনি চীনের ‘ইউনাইটেড ফ্রন্ট’ ব্যবস্থার সাথে যুক্ত বিভিন্ন প্রভাবশালী সংগঠনের উচ্চপদেও কাজ করেছেন।
নজরদারি ও নিরাপত্তার ঝুঁকি (White House Property)
হোয়াইট হাউসের একদম নিকটে হওয়ায় ভবনটি থেকে বার্তা আদান-প্রদান পর্যবেক্ষণ বা ইলেকট্রনিক নজরদারির (Signals Intelligence) আশঙ্কা করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা ব্রায়ান ডিন রাইটের মতে, এ ধরনের অবস্থান গোপন তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
আইনি পদক্ষেপের দাবি (White House Property)
যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও সক্রিয় গুপ্তচরবৃত্তির প্রমাণ মেলেনি, তবুও সুরক্ষার স্বার্থে এই কেনাবেচা বাতিলের দাবি উঠেছে। জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা ‘স্টেট আর্মর’-এর প্রধান নির্বাহী মাইকেল লুচি ভবনটি বাধ্যতামূলক বিক্রির (Forced Sale) দাবি জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন: Teacher Protest: সেনসাসের চাপে শিক্ষকতা! হাইকোর্টের বিকল্প পরামর্শ?
বর্তমানে আমেরিকার ‘কমিটি অন ফরেন ইনভেস্টমেন্ট ইন দ্য ইউএস’ (CFIUS) ক্ষেত্রবিশেষে বিদেশি লেনদেন পর্যালোচনা করতে পারে। তবে ক্যাপিটল বা হোয়াইট হাউসের কাছে জমি কেনার ওপর ঢালাও কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকায়, আইনপ্রণেতারা এখন কৌশলগত এলাকায় বিদেশি মালিকানা রোধে নতুন কঠোর আইনের দাবি তুলছেন।



