Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
নরওয়ের রাজধানী অসলোতে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের এক সাংবাদিক বৈঠকে তুমুল বিতর্ক তৈরি করলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রকের সচিব (ওয়েস্ট) সিবি জর্জ(Norway Sibi George)।
শান্ত অথচ কড়া জবাব (Norway Sibi George)
নরওয়ের সংবাদপত্র ডাগসাভিসেন-এর সাংবাদিক হেলে লিং ভারতের মানবাধিকার, সংখ্যালঘু অধিকার ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বারবার বাধা দিয়ে প্রশ্ন করার পর সিবি জর্জ শান্ত কিন্তু কড়া ভাষায় ভারতের অবস্থান তুলে ধরেন।
অজ্ঞ রিপোর্টের ভিত্তিতে বিচার!
তিনি বলেন, ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামো ও সংবিধান দেশের নাগরিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে। বিদেশি পর্যবেক্ষকরা অনেক সময় “অজ্ঞ এনজিও”-র নির্বাচিত রিপোর্টের ভিত্তিতে ভারতকে বিচার করেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ভারতের সাফল্য তুলে ধরেন
সিবি জর্জ বলেন, “আমরা বিশ্বের জনসংখ্যার এক-ষষ্ঠাংশ, কিন্তু বিশ্বের সমস্যার এক-ষষ্ঠাংশ নই।” তিনি কোভিড পরিস্থিতিতে ভারতের ভূমিকা, জি২০ সম্মেলনে বিভক্ত দেশগুলিকে এক মঞ্চে আনার কূটনৈতিক সাফল্য এবং ভারতের নির্বাচনী ব্যবস্থার উদাহরণ তুলে ধরেন।
ভোটাধিকার নিয়ে গর্বিত
তিনি আরও বলেন, “মানবাধিকারের সবচেয়ে বড় উদাহরণ হল ভোটাধিকার এবং সরকার পরিবর্তনের অধিকার। ভারতে সেটাই হচ্ছে, এবং আমরা তা নিয়ে গর্বিত।”
সিবি জর্জকে নিয়ে নতুন করে আগ্রহ (Norway Sibi George)
এই ঘটনার পর থেকেই সিবি জর্জকে নিয়ে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বর্তমানে তিনি ভারতের বিদেশমন্ত্রকের সচিব (ওয়েস্ট) পদে রয়েছেন। এর আগে তিনি জাপান, কুয়েত ও সুইৎজারল্যান্ডে ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন।
আরও পড়ুন: MS Dhoni: পরের আইপিএল-এ দেখা যাবে না ধোনিকে? মাহির কথাNorway Sibi Georgeয় ‘হৃদয় ভাঙার গান’
১৯৯৩ সাল থেকে বিদেশমন্ত্রকে (Norway Sibi George)
১৯৯৩ সালে ভারতীয় বিদেশ পরিষেবায় যোগ দেন কেরলের কোট্টায়ামের বাসিন্দা সিবি জর্জ। কায়রো, দোহা, ইসলামাবাদ, ওয়াশিংটন, তেহরান ও রিয়াধে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। ২০১৪ সালে ভারতীয় বিদেশ পরিষেবায় উৎকর্ষের জন্য এস কে সিং অ্যাওয়ার্ড পান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্ি মোদীর নরওয়ে সফরের সময় এই ঘটনাটি ঘটে, যা এখন আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।



