Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কেটিভি বাংলা ডিজিটাল : মহিলারা বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা সত্ত্বেও অনেক সরকারি বাস না থামিয়ে চলে যাচ্ছে—এমন অভিযোগ দীর্ঘদিনের (Public Transport)। কলকাতার বিভিন্ন রুটেও বিনামূল্যে সরকারি বাস পরিষেবা নিতে গিয়ে মহিলা যাত্রীদের একই সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ। উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ার কলাগছ এলাকায় বাস না থামার প্রতিবাদে মহিলা যাত্রীদের জাতীয় সড়ক অবরোধের ঘটনাও পরিস্থিতির গুরুত্ব সামনে এনেছে। এই সমস্যা মোকাবিলায় অভিযোগ জানানোর জন্য পরিবহন দফতর টোল-ফ্রি নম্বর চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বকেয়া ট্রাফিক জরিমানায় কড়া বার্তা (Public Transport)
ট্রাফিক আইন ভেঙে জরিমানা হলেও বহু গাড়ির মালিক এখনও সেই টাকা পরিশোধ করেননি। পরিবহনমন্ত্রী জানিয়েছেন, বকেয়া জরিমানার পরিমাণ প্রায় ১৫৮৯ কোটি টাকা। এক মাসের মধ্যে এই জরিমানা মেটানোর জন্য কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরিবহণ ব্যবস্থায় নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
টোটোর বদলে ই-রিকশা (Public Transport)
শহর ও মফস্সলের যান চলাচলকে আরও সংগঠিত করতে প্রত্যেক বিধানসভা এলাকায় অটো এবং ১০-সিটার গাড়ির পারমিশন দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী। একই সঙ্গে টোটোর পরিবর্তে ই-রিকশা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ই-রিকশার জন্য রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছে।
ওলা-উবের-র্যাপিডোর জন্য ‘লাস্ট ওয়ার্নিং’ (Public Transport)
কমার্শিয়াল নম্বর প্লেট ছাড়া ওলা, উবের ও র্যাপিডোর মতো অ্যাপ-ক্যাব পরিষেবা চালানোর অভিযোগ নিয়েও সরব পরিবহন দফতর। মন্ত্রীর স্পষ্ট বার্তা, বাণিজ্যিক নম্বর প্লেট ছাড়া এই পরিষেবা চালানো যাবে না। সংশ্লিষ্ট গাড়িগুলিকে কমার্শিয়াল নম্বর প্লেট লাগানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ফিরবে ট্রাম, বাড়বে বাস (Public Transport)
কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ট্রাম পরিষেবাকে নতুনভাবে চালুর পরিকল্পনাও সামনে এসেছে। অস্ট্রেলিয়া ও বেলারুশ থেকে প্রতিনিধিরা কলকাতায় এসে ট্রাম পরিচালনায় আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। PPP মডেলে ট্রাম পরিষেবা চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে আরও ১০০০টি বাস রাস্তায় নামানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন : Darjeeling Loco Shed Collapse: টানা বৃষ্টিতে দার্জিলিংয়ে ভাঙল ঐতিহাসিক লোকোশেড, আহত ৮ রেলকর্মী
সিএনজি সমস্যাই বড় চ্যালেঞ্জ
তবে নতুন বাস ও ই-রিকশা নামানোর পাশাপাশি জ্বালানি পরিকাঠামোর প্রশ্নটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে সিএনজি সরবরাহে ঘাটতি বা স্টেশনগুলিতে দীর্ঘ অপেক্ষার সমস্যা তৈরি হলে পরিবহণ ব্যবস্থায় তার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে। ফলে শুধু নতুন যান নামানো নয়, পর্যাপ্ত সিএনজি সরবরাহ, রিফuয়েলিং পরিকাঠামো এবং রুটভিত্তিক পরিষেবা সমন্বয় নিশ্চিত করাও জরুরি। গণপরিবহণকে আরও যাত্রীবান্ধব করতে হলে পরিকল্পনার পাশাপাশি তার কার্যকর বাস্তবায়নই এখন সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।



