Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে (Mahua Moitra) জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। শুধু তাই নয়, কৃষ্ণনগর আদালতের বাকি নির্দেশও খারিজ করল বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ। কৃষ্ণনগর আদালত থেকে মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা সরিয়ে বিধাননগর এমপি-এমএলএ আদালতে স্থানান্তরের নির্দেশ হাইকোর্টের।
কেন মামলা দায়ের? (Mahua Moitra)
দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং সেনাবাহিনীতে (Mahua Moitra) নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার পাশাপাশি মহিলাদের হিজাব, তুলসীর মালা, বোরখা পরা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় কৃষ্ণনগরের এক বাসিন্দা তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর বিরুদ্ধে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা এবং ভারতীয় ন্যায় সঙ্গীতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছিলেন। কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে দাঙ্গা, ধর্মীয় অশান্তিতে উস্কানি, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত, ধর্মীয় গোষ্ঠীর মধ্যে অশান্তি পাকানো, হুমকি, মহিলাদের শালীনতা ক্ষুন্ন করার অভিযোগ ওঠে। সেই মামলায় মহুয়া মৈত্রকে একাধিকবার সমন পাঠায় কৃষ্ণনগর আদালত। কিন্তু সাংসদ হাজিরা না দেওয়ায়, তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আদালত।
হাইকোর্টের দ্বারস্থ মহুয়া (Mahua Moitra)
কৃষ্ণনগর আদালতের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মহুয়া মৈত্র। সেই মামলায় আগে গ্রেফতারি পরোয়ানোর উপরে স্থগিতাদেশ জারি করেছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সোমবার সেই মামলায় বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি আর্যক দত্তর ডিভিশন বেঞ্চ কৃষ্ণনগর আদালতের যাবতীয় নির্দেশ কারিজ করে দিল।

আরও পড়ুন: Bageshwar Baba: আমিষভোজীরা ‘পাষণ্ড’, কে এই বাগেশ্বর বাবা? তার কথায় নিরামিষ খাবে বাঙালিরা?
এদিন শুনানিতে মহুয়া মৈত্রর এই মামলা কৃষ্ণনগর আদালতের শোনার এক্তিয়ার আছে কিনা, সেই নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তাঁর আইনজীবী অর্ক কুমার নাগ। মহুয়া মৈত্রর আইনজীবী আদালতে দাবি করেন, তাঁর মক্কেল একজন সাংসদ। তাই তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার শুনানি এমপি-এমএলএ আদালতে হওয়া উচিত। তাতে সম্মতি জানিয়ে বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি কৃষ্ণনগর আদালত থেকে সরিয়ে বিধাননগর এমপি-এমএলএ আদালতে স্থানান্তরিত করার নির্দেশ দেয়। সেইসঙ্গে, এই মামলায় কৃষ্ণনগর আদালতের দেওয়া সমস্ত নির্দেশও খারিজ করে দেয় হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।


