Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইরান-আমেরিকা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের (BRICKS Summit) আবহেই ভারতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ ব্রিকস সম্মেলন। বিশ্বের একাধিক প্রভাবশালী রাষ্ট্রের রাষ্ট্রনেতাদের উপস্থিতিতে নয়াদিল্লি এখন আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ভ্লাদিমির পুতিন থেকে শি জিনপিং—ব্রিকসের বৈঠকে একাধিক শীর্ষ নেতার উপস্থিতি ঘিরে নজর গোটা বিশ্বের। তবে এই জোটের বাইরে রয়েছে ভারতের দুই প্রতিবেশী বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।
পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের চেষ্টা (BRICKS Summit)
বিশেষ করে ব্রিকসে যোগ (BRICKS Summit) দেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালাচ্ছে পাকিস্তান। সূত্রের দাবি, ২০২৩ সালেই ইসলামাবাদ এই জোটে অন্তর্ভুক্তির আবেদন করেছিল। বর্তমানে প্রায় ২৯টি দেশের আবেদন ব্রিকসের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে চিনের সমর্থন রয়েছে বলেও সূত্রের দাবি। রাশিয়ার কাছ থেকেও সহযোগিতা চেয়েছিল ইসলামাবাদ।
বাস্তবায়িত হয়নি উদ্যোগ (BRICKS Summit)
তবে পাকিস্তানের সেই উদ্যোগ (BRICKS Summit) বাস্তবায়িত হয়নি। নয়াদিল্লির আপত্তির কারণেই ২০২৩ সালে তাদের আবেদন এগোয়নি বলে দাবি করা হচ্ছে। ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির মধ্যে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকায় পাকিস্তানের প্রবেশের ক্ষেত্রে দিল্লির অবস্থান বড় ভূমিকা পালন করেছে।
আরও পড়ুন: Taslima Nasrin: যে কলকাতা ছাড়তে হয়েছিল, সেই শহরের পরীক্ষায় তসলিমা
২০২৩ সালে ব্রিকসের শেষ বড় সম্প্রসারণে আর্জেন্টিনা, ইরান, সৌদি আরব, মিশর, ইথিওপিয়া এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহী জোটে যোগ দেয়। বর্তমানে ব্রিকস সদস্যদের হাতে বিশ্বের বিপুল জনসংখ্যা ও অর্থনীতির একটি বড় অংশ রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও এই জোটের গুরুত্ব ক্রমশ বাড়ছে।
ভারতের আপত্তি
অর্থনৈতিক সংকট কাটাতে ব্রিকসকে কাজে লাগাতে আগ্রহী পাকিস্তান। দেশটির GDP বৃদ্ধির হার বর্তমানে প্রায় ৩.৭ শতাংশ। ব্রিকস দেশগুলির সঙ্গে ভারতের বাণিজ্যও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদ জোটে ঢুকে বাণিজ্যিক সুবিধা পেতে চাইলেও, ভারতের আপত্তি তাদের সেই পথের প্রধান বাধা হয়ে রয়েছে।


