Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার ঘিরে এ বছরও ছিল (Physics Nobel Prize) নানা জল্পনা। সেই জল্পনার মধ্যেই ফ্রান্সিস হালজেনের নাম সামনে এসেছে। আইসকিউব নিউট্রিনো অবজারভেটরির সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের গবেষণা এবং মহাজাগতিক উৎস থেকে আসা উচ্চশক্তির নিউট্রিনো শনাক্তকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য তাঁকে সম্মানিত করার কথা জানানো হয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।
কে এই বিশিষ্ট ব্যক্তি? (Physics Nobel Prize)
বেলজিয়ামে জন্ম নেওয়া হালজেনের বয়স ৮২ (Physics Nobel Prize) বছর। দক্ষিণ মেরুর বরফকে বিশাল বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণাগার হিসেবে ব্যবহার করে নিউট্রিনোর গতিবিধি খুঁজে বের করার ধারণার সঙ্গে তিনি ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। তাঁর নেতৃত্বে তৈরি আইসকিউব প্রকল্পে বরফের গভীরে বিপুল সংখ্যক আলোকসংবেদী যন্ত্র বসানো হয়েছে। এর মাধ্যমে মহাকাশের দূরবর্তী এবং অত্যন্ত শক্তিশালী উৎস থেকে পৃথিবীতে পৌঁছনো নিউট্রিনোর সংকেত শনাক্ত করা সম্ভব হয়।
আরও পড়ুন: Municipal Poll Schedule: সাত পুরসভায় ভোটের দিনক্ষণ প্রস্তাব, চূড়ান্ত সিলমোহরের অপেক্ষা
নিউট্রিনো আবিষ্কার
নিউট্রিনো এমন এক ধরনের কণা, যা পদার্থের মধ্য দিয়ে প্রায় বাধাহীনভাবে ছুটে যেতে পারে। ফলে মহাবিশ্বের অত্যন্ত দূরবর্তী ঘটনা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহে এই কণার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। আইসকিউবের পর্যবেক্ষণ জ্যোতির্বিজ্ঞানের প্রচলিত পদ্ধতির বাইরে মহাবিশ্বকে বোঝার নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।


