Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: হাওড়ার সাঁত্রাগাছির অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী দুর্গোৎসব হলো সাঁত্রাগাছি সার্বজনীন দুর্গোৎসব (Santragachi Durga Festival)। দীর্ঘ ৯৮ বছর ধরে এই পূজো শুধু ধর্মীয় আচার নয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক হয়ে উঠেছে। প্রবীণ-নবীন সকলের অংশগ্রহণে এই পূজো আজও আপন মহিমায় অটুট।

পূজোর উদ্বোধন (Santragachi Durga Festival)
এবারের ৯৮তম বর্ষের পূজোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। তিনি প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে দেবী দুর্গার পাদপদ্মে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন এবং সমগ্র সমাজের সার্বিক মঙ্গল ও শান্তি কামনা করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সমাজের বিশেষভাবে সক্ষম শিশু-কিশোররা সঙ্গীত পরিবেশন করে পরিবেশকে আরও আবেগঘন করে তোলে।

আয়োজক সংস্থা ও নেতৃত্ব (Santragachi Durga Festival)
এই দুর্গোৎসবের আয়োজক সংস্থা রামরাজা স্পোর্টিং ক্লাব (Santragachi Durga Festival)। ক্লাবের সভাপতি জয়তি ভট্টাচার্য গর্বভরে জানান, বহু বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধারণ করেই এই পূজো আজও এগিয়ে চলেছে। প্রবীণ ও নবীন প্রজন্ম হাতে হাত মিলিয়ে এই মহোৎসবকে সফল করে তোলেন। তাই এটি কেবল ধর্মীয় উৎসব নয়, সামাজিক ঐক্যেরও প্রতীক।
উৎসবের আবহ (Santragachi Durga Festival)
দুর্গোৎসবকে ঘিরে গোটা সাঁত্রাগাছি এলাকায় এখন উৎসবের আবহ ছড়িয়ে পড়েছে। আলোয় সেজে উঠেছে রাস্তাঘাট, শিল্পকলার ছোঁয়ায় রূপ পেয়েছে মণ্ডপ। দর্শনার্থীরা মুগ্ধ হচ্ছেন দেবী প্রতিমা ও অলঙ্করণের শৈল্পিক সৌন্দর্যে। আলোকসজ্জা, শিল্পকলার কৌশল এবং সামাজিক বন্ধনের বার্তা—সব মিলিয়ে এই পূজো হয়ে উঠেছে এক অনন্য মিলনমেলা।

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রবিন্দু (Santragachi Durga Festival)
শুধু পূজা নয়, আজকের দিনে সাঁত্রাগাছি সার্বজনীন দুর্গোৎসব এক গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এখানে মানুষ শুধু দেবীর আরাধনায় নয়, একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করার ক্ষেত্রেও মিলিত হন। স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি বহিরাগত দর্শনার্থীরাও সমান উৎসাহ নিয়ে এই মহোৎসবে অংশ নেন।
আরও পড়ুন: Suryakumar Yadav: রানের খরা কাটাতে সূর্যকে টিপস দিলেন ভারতের প্রাক্তন তারকা
সমাপনী ভাবনা
সাঁত্রাগাছি সার্বজনীন দুর্গোৎসব কেবল দেবী দুর্গার বন্দনার মাধ্যমে সীমাবদ্ধ নয়; এটি সমগ্র এলাকার গর্ব ও ঐক্যের প্রতীক। ৯৮ বছরের ঐতিহ্যকে ধারণ করে আগামী শতবর্ষে প্রবেশের পথে এই পূজো নিঃসন্দেহে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।



