Last Updated on [modified_date_only] by Sabyasachi Bhattacharya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিশ্বকাপের ফাইনালে ছাড়া তেমন আশানরুপ পারফর্ম না করলেও র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে অভিষেক শর্মা (Ishan Kishan)।
সঞ্জু, ঈশানের বড় পুরস্কার (Ishan Kishan)
এক সময়ে মাদকে আসক্ত হয়ে জীবন তহন বইছে তলানির দিকে। মাদক সেবন থেকে জেল হেফাজত নিজেই যেন নিজেকে নিয়ে যাচ্ছেন অতল অন্ধকারের গভীর তলানিতে। স্মৃতির ল্যান্ডমার্ক জুড়ে তাঁর শুধু শিশু বয়স থেকেই মাদকের প্রতি আসক্তি। তবে এর সঙ্গে আরেক আসক্তিতে আসক্ত হয়ে পড়েছেন তিনি। বলা যায় এই দ্বিতীয় আসক্তির কারণেই সে প্রথম আসক্তির কালো জাল চিরে বেরিয়ে এসে অস্কারের মতো মঞ্চে আলোর তলায়। তাঁর একটা সংলাপ কানে এলেই তাঁকে চিনে নেওয়া সম্ভব (Ishan Kishan)।
‘আই অ্যাম আয়রন ম্যান’, এই সংলাপের পর তাঁর পরিচয় নতুন করে দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। এক সংলাপে ডুবে যেতে থাকা কেরিয়ার এবং মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স দুই-ই একসঙ্গে দেখেছিল সাফল্যের মুখ। তাঁর নাম রবার্ট ডাউনি জুনিয়র। যার পর থেকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। কঠিন পরিশ্রম আর অধ্যাবসায় তাঁকে এনে দিয়েছে একের পর এক সাফল্য। কখনও তিনি আয়রন ম্যান আবার কখনও শার্লক হোমস।
তবে পরিশ্রমের ফল যে সর্বত্র তা সর্বজন বিদিত। ক্রিকেটের মাঠেও ঘটেছে এমন অনেক কামব্যাক। এক সময়ের দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটার দলে ফিরেছেন এবং সবার প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তেমন পুরস্কারও পেয়েছেন হাতে নাতে। তেমনই দুই ক্রিকেটার সঞ্জু স্যামসন এবং ঈশান কিষাণ। একজন স্কোয়াডে থাকলেও দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেছেন ডাগ আউটে বসে আর আরেকজন স্কোয়াডের বাইরে। আদেও তিনি ফিরবেন কিনা সেটা তখনও কেউ জানে না।

সদ্য শেষ হওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের যে দুই জন ব্যাটারকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি চর্চা চলছে বিশ্বকাপ শেষের পর তাঁরা দুই জন হলেন সঞ্জু স্যামসন এবং ঈশান কিষাণ। দুই ক্রিকেটার গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচেই জ্বলে উঠেছেন এবং দলের জয়ে অন্যতম ভূমিকা রেখেছেন। সঞ্জু যেমন পরপর তিন ম্যাচেই বড় ইনিংস খেলেছেন তেমন অন্যদিকে ঈশান পরপর খেলছেন ঝোড়ো ইনিংস। এবার সেই পারফরম্যান্সের পুরস্কার পেলেন হাতে নাতে। আইসিসি-র ক্রমতালিকায় অনেকটাই উপরে উঠে এলেন এই দুই তারকা (Ishan Kishan)।

আরও পড়ুন: CM Gas Meet: যুদ্ধ আবহে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, বৃহস্পতিতে জরুরি বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর
৯৭. ৮৯, ৮৯ পরপর দাপুটে ইনিংসের সুবাদে সঞ্জু টি-টোয়েন্টি ব্যাটারদের তালিকায় ICC র্যাঙ্কিংয়ে ১৮ ধাপ উঠে এলেন তিনি। আগে ছিলেন ৪০ নম্বরে। এখন ৬৩৭ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে উঠে এলেন ২২ নম্বর স্থানে। এটাই তাঁর কেরিয়ারের সেরা র্যাঙ্কিং।

অন্যদিকে বিশ্বকাপে ৯ ইনিংসে ৩১৭ রান এসেছে ঈশান কিষাণের ব্যাট থেকে। পাকিস্তান, নামিবিয়া ও নিউ জি ল্যান্ডের বিরুদ্ধে করেছেন হাফ সেঞ্চুরি। এই পারফর্ম্যান্সের সুবাদে র্যাঙ্কিং তালিকায় উঠলেন দুই ধাপ। চতুর্থ থেকে উঠে এলেন দ্বিতীয় স্থানে। তাঁর রেটিং পয়েন্ট এখন ৮৭১। টপকে গেলেন পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহানকে। তবে বিশ্বকাপে সেইভাবে পারফর্ম করতে না পারার পরেও শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন অভিষেক শর্মা। ৮৭৫ রেটিং পয়েন্ট তাঁর দখলে। তবে তাঁর ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন ঈশান। পার্থক্য মাত্র চার পয়েন্টে। শিবম দুবেও চার ধাপ উঠে এসেছেন ২৭ নম্বর স্থানে (Ishan Kishan)।


