Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: হুগলি, অমল চক্রবর্তী: সাবেক প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী (Tribeni Burning Ghat) বাজপেয়ী-এর অস্থিকলস বিসর্জনের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছিল ত্রিবেনীর যে সঙ্গম ও মহাশ্মশানকে সেই শ্মশানই বিকল। বিগত চার মাস ধরে অচল ত্রিবেণী মহাশ্মশানের দুটি বৈদ্যুতিক চুল্লি, চরম দুর্ভোগে দূর-দূরান্ত থেকে আসা মৃতের পরিবাররা।
কাঠের চুল্লিতে অতিরিক্ত খরচ (Tribeni Burning Ghat)
দীর্ঘ প্রায় চার মাস ধরে অচল অবস্থায় পড়ে (Tribeni Burning Ghat) রয়েছে হুগলির ঐতিহ্যবাহী ত্রিবেণী মহাশ্মশানের দুটি বৈদ্যুতিক চুল্লিই। ফলে দূর-দূরান্ত থেকে আসা মানুষকে চরম ভোগান্তি ও অতিরিক্ত খরচ সামলে বাধ্য হয়ে কাঠের চুল্লিতেই প্রিয়জনের শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হচ্ছে।
মহাশ্মশানের গুরুত্ব অপরিসীম (Tribeni Burning Ghat)
হুগলি জেলার অন্যতম প্রধান এবং ঐতিহাসিক এই মহাশ্মশানের গুরুত্ব অপরিসীম। শুধু হুগলি নয়, পার্শ্ববর্তী নদীয়া, বীরভূম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, আসানসোল এমনকি দূরবর্তী বিভিন্ন জেলা থেকেও প্রতিদিন বহু মানুষ এখানে শেষকৃত্যের জন্য আসেন। উল্লেখ্য, ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর অস্থিকলস বিসর্জনের জন্যও বেছে নেওয়া হয়েছিল এই পবিত্র ত্রিবেণী সঙ্গম ও শ্মশান ঘাটকে।
আরও পড়ুন: Digha Beach Rules: শাড়ি-সালোয়ার পরে নামা যাবে না সমুদ্রে, জারি নতুন নিয়ম!
কিন্তু বিগত চার মাস ধরে দুটি বৈদ্যুতিক চুল্লিই সম্পূর্ণ বিকল হয়ে পড়ে থাকায় স্থানীয় এবং দূর থেকে আসা পরিবারগুলি বিপাকে পড়েছেন। কাঠের মাধ্যমে দাহ করার প্রক্রিয়া কেবল সময়সাপেক্ষই নয়, বরং সাধারণ ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
স্থানীয় অধিবাসীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চুল্লি দুটি অচল হয়ে পড়ে থাকলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত মেরামতের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। শ্মশান পরিষেবা দ্রুত স্বাভাবিক করার জন্য এবং বৈদ্যুতিক চুল্লি দুটি চালুর বিষয়ে অবিলম্বে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপর দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ।।স্থানীয় বিধায়ক স্বরাজ ঘোষ পর্যবেক্ষণে এসে জানান, “তৃণমূল আমলে কোনো কাজই হয়নি,শুধু কাটমানি চলতো, আজ আমি এসে দেখলাম ইতিমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে,তাড়াতাড়ি সমস্যার সমাধান হবে।”


