Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কিন্তু প্রশাসনিক উদ্ধারকারী দল পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় বাসিন্দারাই কুড়ুল-করাত হাতে নেমে পড়েন এবং গাছ কেটে রাস্তা আংশিকভাবে চলাচলের উপযোগী করে তোলেন (North Bengal)। শিলিগুড়ি-মিরিক সড়কে আচমকা ধস, প্রশাসনের আগেই স্থানীয়দের তৎপরতায় উদ্ধারকাজ।

লাগাতার ভারী বর্ষণে ফের বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গের পাহাড়। গয়াবাড়ি এলাকায় আচমকা পাহাড় ধসে। শিলিগুড়ি থেকে মিরিক যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য সড়কের গয়াবাড়ি এলাকায় সাময়িকভাবে সম্পূর্ণ স্তব্ধ যানবাহন চলাচল। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে বিশালাকার পাথর, মাটি এবং একাধিক গাছ উপড়ে প্রধান রাস্তার ওপর এসে পড়ে। যার ফলে ব্যস্ততম পাহাড়ি পথটি নিমেষের মধ্যে অবরুদ্ধ হয়ে যায় এবং সড়কের দু’পাশে আটকে পড়ে অসংখ্য গাড়ি।
স্থানীয়দের তৎপরতায় উদ্ধারকাজ (North Bengal)
ঘটনার পরপরই এলাকা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। তবে সরকারি উদ্ধারকারী দল বা বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী পৌঁছানোর আগেই বিপদের মুহূর্তে ত্রাতা হয়ে এগিয়ে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিলম্ব না করে নিজেদের উদ্যোগেই কাটারি, কুড়ুল ও করাতি নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েন তারা। উপড়ে পড়া গাছ কেটে এবং রাস্তার ওপর থেকে বড় বড় পাথরের খণ্ড সরিয়ে আংশিকভাবে যাতায়াতের পথ তৈরি করে দেন স্থানীয়রাই। তাদের এই দ্রুত পদক্ষেপ ও মানবিক উদ্যোগের ফলেই দ্রুত বিপর্যয় কাটে ওই এলাকায়।
আরও পড়ুন: Reading Corner: মোবাইলের যুগে বইয়ের টান ফেরাবে স্কুলের নতুন ‘রিডিং কর্নার’
বর্তমানে গয়াবাড়ির ক্ষতিগ্রস্ত অংশে প্রশাসনের নজরদারিতে একমুখী যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। রাস্তা থেকে বাকি কাদামাটি ও ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ চালানো হচ্ছে। তবে পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তায় বিপদ এড়াতে চালকদের অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে গাড়ি চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের তরফে।
আরও পড়ুন: Madhabdihi Hospital: মধ্যরাতে হাসপাতালে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেল সকলে
উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই এই রুটের দুধিয়া এলাকায় বালাসন নদীর ওপর থাকা অস্থায়ী সেতুটি প্রবল স্রোতে ভেঙে পড়ে শিলিগুড়ি-মিরিক যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। পরে সেখানে সেনাবাহিনীর সহায়তায় বেইলি ব্রিজ নির্মাণের পর ফের যান চলাচল শুরু হয়। সেই ক্ষতের রেশ কাটতে না কাটতেই গয়াবাড়ীর এই ধস নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, পাহাড়জুড়ে টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় পাহাড়ি রাস্তায় ফের নতুন করে ধস নামার আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।



