Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকের ঠাকুমার (Abhijeet Dipke Grandmother) মৃত্যুর পরেও তাঁর বাড়ি না ফেরাকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তুঙ্গে। দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে তাঁর পরিবার। পুলিশের দাবি, দীপকেকে মৃত্যুসংবাদ জানানো হয়েছিল এবং বাড়ি ফেরার জন্য তাঁকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার আশ্বাসও দেওয়া হয়। কিন্তু পরিবারের বক্তব্য, তাঁদের সঙ্গে এখনও কোনও যোগাযোগ করেননি অভিজিৎ। সেই কারণে ঠাকুমার শেষকৃত্যও স্থগিত রাখা হয়েছে।
মেলেনি ছেলের সংবাদ! (Abhijeet Dipke Grandmother)
রবিবার সকালে সংবাদসংস্থা এএনআই-কে দীপকের (Abhijeet Dipke Grandmother) বাবা ভগবান দীপকে জানান, ছেলের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য বারবার চেষ্টা করেও তাঁরা ব্যর্থ হয়েছেন। তাঁর সন্দেহ, দিল্লি পুলিশ দীপকের অবস্থান সম্পর্কে সঠিক তথ্য দিচ্ছে না। তাঁর কথায়, মৃত্যুর খবর পেলে ছেলে নিশ্চয়ই বাড়ি ফিরে আসতেন। পরিবারের তরফে দীপকের বন্ধুদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছিল। তাঁরাও কোনও খোঁজ দিতে পারেননি বলে দাবি পরিবারের।
অভিজিতের ফেরার আশা
দীপকের মা অনিতাও পুলিশের বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, ছেলে খবর পেলে ঠাকুমার শেষকৃত্যে যোগ দিতে অবশ্যই ফিরতেন। পরিবারের সদস্যেরা এখনও তাঁর ফেরার আশায় অপেক্ষা করছেন।
শনিবার রাতে দিল্লি পুলিশ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছিল, দীপকেকে তাঁর ঠাকুমার মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছে। শেষকৃত্যের সময়ও তাঁকে জানানো হয় এবং বাড়ি ফেরার ক্ষেত্রে মানবিকতার ভিত্তিতে সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: CJP Leaders Released: ‘আরশোলারা মরে না’, দিল্লি পুলিশের হেফাজত থেকে মুক্তির পর CJP-র বার্তা
উল্লেখ্য, শনিবার মুম্বই থেকে দিল্লি পৌঁছনোর পর বিমান থেকেই দীপকে-সহ সিজেপির তিন নেতাকে আটক করা হয়েছিল। পরে তাঁদের প্রতিরোধমূলক গ্রেফতার করা হয়। রবিবার সকালে দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় বিশেষ এগ্জিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করানোর পর ৫০ হাজার টাকার বন্ডে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি পান তাঁরা। আগামী এক বছর শান্তিভঙ্গ হয় এমন কোনও কাজে জড়িত না থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁদের


